Share this link via
Personality Websites!
ইমাম জাফর সাদিক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বললেন: "হে নোমান! তুমি কি চোখের লবণাক্ততা, কানের তিক্ততা, নাকের উষ্ণতা এবং ঠোঁটের মিষ্টতা সম্পর্কে কিছু জানো?" তিনি বললেন: "না।" ইমাম জাফর সাদিক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বললেন: "আমার দাদা থেকে বর্ণিত, রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم বলেছেন: আল্লাহ পাক তাঁর অনুগ্রহ ও ইহসান দ্বারা ইবনে আদমের চোখে লবণাক্ততা রেখেছেন। কারণ চোখ চর্বি দ্বারা গঠিত, যদি এতে লবণাক্ততা না থাকত তবে তা গলে যেত। আল্লাহ পাক ইবনে আদমের কানে তিক্ততা রেখেছেন, যদি এমন না হতো তাহলে পোকামাকড় কানের ভিতরে চলে যেত এবং মস্তিষ্কে পৌঁছে ক্ষতি করত। একইভাবে, আল্লাহ পাক ইবনে আদমের নাকে উষ্ণতা রেখেছেন, যার মাধ্যমে সে গন্ধ শুকতে পারে। যদি এমন না হতো তাহলে মস্তিষ্ক দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে যেত। আল্লাহ পাক ইবনে আদমের প্রতি মেহেরবানী ও অনুগ্রহ করে তার ঠোঁটে মিষ্টতা রেখেছেন, যার মাধ্যমে সে প্রতিটি জিনিসের স্বাদ গ্রহণ করে এবং মানুষ তার কথার মাধুর্য থেকে আনন্দ লাভ করে।" (হিলয়াতুল আউলিয়া, জা’ফর বিন মুহাম্মদ সাদিক, খন্ড: ৩, পৃ: ২২৯, ক্রমিক নং: ৩৭৯৭ সারসংক্ষেপ)
!سُبْحَانَ الله আমার মহিমান্বিত রব্বে কারীমের কী শান...!! অনুমান করুন! মানুষের সৃষ্টিতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, কেমন নিখুঁত কারিগরী দিয়ে একটি প্রাণহীন জিনিসকে জীবন্ত, চলমান, বুদ্ধিমান মানুষে পরিণত করা হয়েছে। তাহলে আমরা কেন সেই প্রতিপালকের ক্ষমতা ও মহত্ত্ব স্বীকার করে তাঁর সামনে মাথা নত করব না? নিঃসন্দেহে তিনিই এক ও অদ্বিতীয় রব, তিনি লা-শারিক অর্থাৎ তাঁর রাজত্বে কোনো সমকক্ষ নেই, তিনিই ইবাদতের যোগ্য, তিনিই সেই সত্তা যার সামনে মাথা নত করা এবং سُبْحٰنَ رَبِّیَ الْاَعْلٰی বলা মানুষের জন্য শোভনীয়।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami