Share this link via
Personality Websites!
দরবারে উপস্থিত হওয়ার কল্পনা করে নিন! অবশেষে দোয়া প্রার্থনা করে নিন! এভাবে এই চারটি কাজ اِنْ شَآءَ الله ৫ মিনিটেই হয়ে যাবে।
দিনের প্রথম ও শেষ সময়ে নেকীতে অতিবাহিত করুন!
দিন ও রাতের শিডিউল বানানোর ব্যাপারে দ্বিতীয় মাদানী ফুল হলো: দিনের শুরুতে এবং শেষে সময়ে নেক কাজের জন্য সময় বরাদ্দ করুন! কেননা এই দু’টি সময় খুবই বরকতময় ও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ পাক কুরআনে করীমে ইরশাদ করেন:
فَسُبْحٰنَ اللّٰهِ حِیْنَ تُمْسُوْنَ وَ حِیْنَ تُصْبِحُوْنَ(۱۷)
(পারা ২১, সূরা রূম, আয়াত ১৭)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: সুতরাং আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করো যখন তোমাদের সন্ধ্যা হয় এবং যখন সকাল হয়।
পারা ১৩ সূরা রা’দে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
لَهٗ مُعَقِّبٰتٌ مِّنْۢ بَیْنِ یَدَیْهِ وَ مِنْ خَلْفِهٖ یَحْفَظُوْنَهٗ مِنْ اَمْرِ اللّٰهِؕ-
(পারা ১৩, সূরা রা’দ, আয়াত ১১)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: মানুষের জন্য পালাক্রমে আগমনকারী ফেরেশতা রয়েছে তার সম্মুখে ও পশ্চাতে, যারা আল্লাহর আদেশে তার রক্ষণাবেক্ষণ করে।
তাফসীরে সীরাতুল জিনানে এই আয়াতে করীমার আলোকে রয়েছে: অধিকাংশ মুফাসসীরদের মতে এই ফেরেশতা দ্বারা দিন ও রাতে নিরাপত্তা প্রদানকারী ফেরেশতা উদ্দেশ্য, এদেরকে পরিবর্তন করে করে পর্যায়ক্রমে আমগনকারী এই কারণে বলা হয়েছে যে, যখন রাতের ফেরেশতা আসে তখন দিনের ফেরেশতারা চলে যায় আর দিনের ফেরেশতারা এলে তখন রাতের ফেরেশতারা চলে যায়।
(তাফসীরে কবীর, পারা ১৩, সূরা রা’দ, ১১নং আয়াতের পাদটিকা, ৭/১৭)
ফেরেশতাদের এই পরিবর্তন ফজর ও আসরের নামাযের সময় হয়ে থাকে এবং যারা এই দু’টি নামায আদায় করে তাদের এই উপকারিতা (Benefit) অর্জিত হয় যে, ফেরেশতা পরিবর্তনের সময় তারা নামায অবস্থায় থাকে, যেমনটি হযরত আবু হুরায়রা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ থেকে বর্ণিত যে, প্রিয় আক্বা, মাক্কী মাদানী মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: রাত ও দিনের ফেরেশতা তোমাদের মাঝে পালাক্রমে আসতে থাকে আর ফজরের নামায ও আসরের নামাযে একত্র হয়। অতঃপর যারা তোমাদের নিকট আসে যখন তারা উপরে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami