Share this link via
Personality Websites!
থাকবে, যখন তোমার এতকিছু দুনিয়াবী দুঃখ থাকবে তবে তোমার অন্তর আখিরাতের চিন্তায় কিভাবে মনযোগী হবে? মনে রাখবে! সর্বাবস্থায় অতিবাহিত হওয়া দিন তোমার বয়স কমিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তোমার কোন পরোয়া নেই, ঐ ব্যক্তি আখিরাতের জন্য কী প্রস্তুতি নিবে, যার দুনিয়াবী চাহিদাই পূরণ হয়না? কতইনা মূর্খ ঐ মুসলমান, যার বিশ্বাস রয়েছে যে, দুনিয়া নশ্বর, আখিরাত (Hereafter) অবিনশ্বর, তবুও অবিনশ্বর জীবন ছেড়ে নশ্বর জীবনকে উন্নত করার বেদনায় ব্যথিত থাকে। (উয়ুনুল হিকায়াত, ৩৬৪ পৃষ্ঠা)
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! কথাতো একেবারেই সত্য, আমাদেরকে দুনিয়াবী চিন্তা এমনভাবে আকঁড়ে রয়েছে যে, আখিরাতের চিন্তা করার তো সময়ই পাওয়া যায় না, সর্বদা ব্যস দুনিয়া উপার্জনেরই চিন্তা, জান্নাত অর্জন, আখিরাত সজ্জিত করা এবং কবরকে আলোকিত করার উপলক্ষ্য করার তো কখনো খেয়ালই আসে না!! এটা হলো উদাসিনতা...!! একটু ভাবুন তো! এই দুনিয়া কতদিনের। কে জানে আজকের এই রাত আমাদের জীবনের শেষ রাত হতে পারে, কে জানে পরমুহুর্তেই মালাকুল মউত عَلَیْہِ السَّلَام এসে গেলো আর আমাদের সকালের সূর্য দেখা নসীব হলো না...!!
এমনিতেও চাই আমরা শত বছরও জীবন অতিবাহিত করে নিই, অবশেষে এক না একদিন মরতেই হবে, এই দুনিয়াকে ছাড়তে হবে, যা উপার্জন করেছে এখানেই রেখে কবরে নামতে হবে এবং নিজের কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে হবে।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! উত্তম, বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী সেই, যে উদাসিনতার চাদর খুলে নেয় এবং কবর ও আখিরাতের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে যায়। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ رَضِیَ اللهُ عَنْہُ যখন মানুষের পাশে বসতেন তখন বলতেন: হে লোকেরা! রাত ও দিন অতিবাহিত করার পাশাপাশি তোমাদের বয়সও কমে যাচ্ছে। তোমাদের আমল সংরক্ষণ করা হচ্ছে। মৃত্যু হঠাৎ আসবে তখন যে নেকীর ফসল বুনবে, সে আগ্রহ সহকারে কাটবে আরে যে মন্দের ক্ষেত বুনবে, তাকে অনুতপ্তের সহিত কাটতে হবে। প্রত্যেকেই নিজের উদ্গীরণ করা ক্ষেতই কাটবে। (মওসুআতু ইবনে আবীদ দুনিয়া, কিতাব: কালামুল লাইলি ওয়াল আইয়াম, ৪/৩৩২)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami