Share this link via
Personality Websites!
রাতে তুমি খুবই কষ্ট করেছো, কিন্তু মনে রেখো যে, এই দিন তোমার জীবনের শেষদিন হতে পারে। একথা বলে আবারো ইবাদতে মশগুল হয়ে যেতেন আর যখন ঘুম প্রভাব বিস্তার করতো তখন উঠে হাটাহাটি করা শুরু করে দিতেন আর পাশাপাশি নিজেকে বলতে থাকতেন: রাবেয়া! এটাও কি কোন ঘুম! এতে কিইবা স্বাদ আছে? একে ছাড়ো আর কবরে আরামের সহিত দীর্ঘ সময়ের জন্য ঘুমিও, আজ তো তোমার বেশি ঘুম আসেনি কিন্তু আগামী রাতে আরো বেশি ঘুম আসবে, হিম্মত করো আর নিজের রবকে সন্তুষ্ট করে নাও। এভাবে করতে করতে তিনি ৫০ বছর কাটিয়ে দিলেন যে, তিনি নাতো কখনো বিছানায় আরাম করেছেন আর নাতো কখনো বালিশে মাথা রেখেছেন, এমনকি তাঁর ইন্তিকাল হয়ে গেলো। (হেকায়াতুস সালেহীন, ৩৯ পৃষ্ঠা)
اَللهُ اَكْبَرُ প্রিয় ইসলামী বোনেরা! ভাবুন তো! এই আল্লাহ পাকের নেককার বান্দারা কিরূপ সুন্দরভাবে ও কিরূপ পূর্ণ অটলতার (Determination) সহিত নিজের দিনরাত নেকীতে অতিবাহিত করতেন। আহ! অপরদিকে আমরা যে, রাতে উদাসিনতায় ঘুমিয়ে আর দিনে নশ্বর পৃথিবীর (Mortal World) কাজকর্মে কাটিয়ে দিই, না কবর ও আখিরাতের কোন চিন্তা, না আল্লাহ পাককে সন্তুষ্টকারী কোন কাজ... !
দিনরাত আল্লাহ পাকের অনুগ্রহ সন্ধান করো!
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! আল্লাহ পাক এই দিনরাত এই কারণে বানাননি যে, আমরা সারারাত ব্যস উদাসিনভাবে (Heedless) ঘুমিয়ে থাকবো এবং দিনের বেলা ব্যস দুনিয়ারই চিন্তায় লেগে থাকবো, এই দিন ও রাত, আমাদের এই নিশ্বাস, আল্লাহ পাকের প্রদত্ত অসংখ্য অগণিত নেয়ামত, এই জীবন, আল্লাহ পাকের ইবাদত করা, যিকির ও চিন্তায় মশগুল থাকা এবং মৃত্যুর পরের স্থায়ী জীবনের প্রস্তুতি নেয়ার জন্যই। আল্লাহ পাক কুরআনে করীমে ইরশাদ করেন:
وَ جَعَلْنَا الَّیْلَ وَ النَّهَارَ اٰیَتَیْنِ فَمَحَوْنَاۤ اٰیَةَ الَّیْلِ وَ جَعَلْنَاۤ اٰیَةَ النَّهَارِ مُبْصِرَةً لِّتَبْتَغُوْا فَضْلًا مِّنْ رَّبِّكُمْ
(পারা ১৫, বনী ইসরাঈল, আয়াত ১২)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: এবং আমি রাত ও দিনকে দু’টি নিদর্শন করেছি; সুতরাং রাতের নিদর্শনকে স্তিমিত রেখেছি এবং দিনের নিদর্শনকে প্রদর্শনকারী, যাতে আপন রবের অনুগ্রহ সন্ধান করো।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami