Share this link via
Personality Websites!
প্রথম দোষ হলো: আল্লাহর অবাধ্যতা করা, তিনি যা করতে আদেশ করেছেন, তা না করা, যা না করতে আদেশ করেছেন, সেই কাজগুলোতে জড়িয়ে পড়া। মনে রাখবেন! আল্লাহ ও রাসূলের অবাধ্যতা লাঞ্ছনা ও অপমানের কারণ। যে ব্যক্তি আল্লাহর অবাধ্যতা করতে থাকে, তাওবা করে না, আল্লাহর দিকে ফিরে আসে না, সে আল্লাহর দরবারে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়ে যায় এবং আল্লাহর দরবারে তার কোনো মূল্য থাকে না। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর দরবারে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়ে যায়, যার আল্লাহর দরবারে কোনো মূল্য থাকে না, সে কোথাও সম্মান পায় না। পারা ১৭, সূরা হজ্ব, আয়াত ১৮-এ বলা হয়েছে:
وَ مَنْ یُّهِنِ اللّٰهُ فَمَا لَهٗ مِنْ مُّكْرِمٍؕ-
(পারা ১৭, সূরা হজ্ব , আয়াত ১৮)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: "আর আল্লাহ যাকে লাঞ্ছিত করেন, তাকে কেউ সম্মানিত করতে পারে না।"
তাফসীরে সিরাতুল জিনানে রয়েছে: জানা গেল যে, সম্মান ও সুখ্যাতি হওয়া কোনো জাতি বা ব্যক্তির উত্তরাধিকার নয় যে, কোনো ব্যক্তি যতই খারাপ কাজ করে বেড়াক, তার আমলনামা গুনাহে ভরপুর হোক, তার চরিত্র অবাধ্যতা দ্বারা কলঙ্কি৮ত হোক, তা সত্ত্বেও সে ইজ্জতের সাথে জীবন কাটাবে... না! না! এমনটি নয়, বরং যে ব্যক্তি তার চরিত্র ও নৈতিকতা, সৎকর্ম, সহানুভূতি ও সহমর্মিতা দ্বারা নিজেকে ইজ্জতের যোগ্য প্রমাণ করে, আল্লাহ পাক তাকে ইজ্জত দান করেন এবং যে ক্রমাগত অবাধ্যতায় লিপ্ত থাকে, তাকে লাঞ্ছনার গভীর গর্তে ফেলে দেওয়া হয়। (তাফসীরে সিরাতুল জিনান, পারা: ১৭, সূরা: হজ্ব, আয়াতের পাদটীকা: ১৮, খন্ড: ৬, পৃ: ৪১৮)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami