Share this link via
Personality Websites!
হযরত সাঈদ ইবনে জুবাইর رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বর্ণনা করেন: একবার বনী ইসরাঈল হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام এর নিকট আরয করল: আল্লাহ পাক যেহেতু মাখলুক সৃষ্টি করেছেন, সুতরাং তিনি তাদের কেন আযাব দিবেন?(এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, আমাদের এখানেও মাঝে মাঝে মানুষ এমন প্রশ্ন করে থাকে যে, যেখানে আল্লাহ পাক রহমান, মায়ের চেয়েও বেশি মেহেরবান, তখন তিনি তাঁর বান্দাদের কেন আযাব দিবেন? এই প্রশ্নের উত্তর শুনুন!) যখন বনী ইসরাঈল প্রশ্ন করল, তখন আল্লাহ পাক হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام এর প্রতি ওহী পাঠালেন, বললেন: হে মূসা! চাষাবাদ কর! হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام চাষাবাদ করলেন (উদাহরণস্বরূপ গম উৎপাদন করলেন)। আল্লাহ পাক বললেন: হে মূসা! এখন এটি কাটো! হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام কাটাই করলেন। এরপর আদেশ হলো: দানা এবং তুষ আলাদা কর! হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام এই আদেশও পূরণ করলেন। তারপর বলা হলো: দানা পরিষ্কার কর! দানা পরিষ্কার করা হলো। অতঃপর আল্লাহ পাক বললেন: হে মূসা! বাকি কী রইল? আরয করলেন: শুধু তুষ বাকি রইল, যাতে কোন কল্যাণ ছিল না। আল্লাহ পাক বললেন: হে মূসা! একইভাবে আমিও আমার সৃষ্টি থেকে শুধু তাকেই আযাব দিব, যার মধ্যে কোন কল্যাণ থাকবে না।
(হিলয়াতুল আউলিয়া, সায়্যিদ বিন জুবাইর, খন্ড: ৪, পৃ: ৩১৬, ক্রমিক নং: ৫৭০১)
! اَللهُ اَكْبَرُ এই হলো ক্ষতিগ্রস্ত বান্দা, ক্ষতিগ্রস্ত বান্দা, আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত বান্দা...!! তার অবস্থা কী? সে খালি তুষের মতো, যার মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই। আল্লাহ পাক আমাদেরকে এমন ক্ষতি থেকে রক্ষা করুক! তিনটি দোষ রয়েছে যা মানুষকে এমন মূল্যহীন করে তোলে:
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami