Share this link via
Personality Websites!
রয়েছে, তাদের সাথে আত্মীয়তা ছিন্ন করা ইত্যাদি সবই এর অন্তর্ভুক্ত।
এবং তৃতীয় দোষ হলো:
وَ یُفْسِدُوْنَ فِی الْاَرْضِؕ-
(পারা ১, সূরা বাকারা, আয়াত ২৭)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: "আর পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করে বেড়ায়।"
পৃথিবীতে ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করার বিভিন্ন রূপ রয়েছে। সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে, প্রতিটি কাজ, কথা, বা পদক্ষেপ যা আমাদের ঘরে, গলিতে, মহল্লায়, সমাজে বিশৃঙ্খলার কারণ হয়, এমন কাজ করা পৃথিবীতে ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করার অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণস্বরূপ: (১) কোন ব্যক্তি প্রকাশ্যে গুনাহ করে, তাকে দেখে অন্যরাও তার অনুকরণ করে, এটিও পৃথিবীতে ফেতনা-ফাসাদের একটি রূপ যে, এর কারণে মানুষ গুনাহের দিকে ঝুঁকে পড়ে। (২) তেমনি ইসলাম বিরোধী বিষয়াদি প্রচার করা (৩) সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ বা ফেসবুক ইত্যাদির মাধ্যমে মানুষকে গুনাহের প্রতি উস্কানি দেওয়া। (৪) মনে ফিতনা ঢুকিয়ে দেয়া। (৫) মানুষকে আল্লাহ ও রাসূলের অবাধ্য বানানো। (৬) নবী ও ওলীদের অসম্মান করতে উৎসাহিত করা। (৭) হত্যা ও লুণ্ঠন, জুলুম ও অত্যাচার করা বা (৮) এর প্ররোচনা দেওয়া ইত্যাদি সবই পৃথিবীতে ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করার রূপ।
এইগুলো
মোট তিনটি দোষ: (১)
আল্লাহর
অবাধ্যতা করা,
(২) আত্মীয়তা
ছিন্ন করা (অর্থাৎ
নিকটাত্মীয়দের
সাথে সম্পর্ক
ছিন্ন করা)
এবং (৩) পৃথিবীতে
ফেতনা-ফাসাদ
সৃষ্টি করা। যে
ব্যক্তির
মধ্যে এই
তিনটি দোষ
থাকে, তার
একটি শাস্তি
হলো,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami