Share this link via
Personality Websites!
করা। (৫) বন্ধুদের সামনে গুনাহ করে বন্ধুদেরকে গুনাহের প্রতি উৎসাহিত করা, "বাদ দেয় দোস্ত, এখন নেকীর যুগ নেই!" (৬) "মিথ্যা ছাড়া এখন চলেই না।" (৭) "যদি সুদী লেনদেন না করি, তবে কি না খেয়ে মরব?"(৮) "উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সর্বত্র সুদ, আমরা তা থেকে বাঁচবই বা কীভাবে?" (৯) "আজকাল ধোঁকাবাজি দিয়েই কাজ চলে, এত সোজা হলে খাবে কোত্থেকে?" ইত্যাদি বাক্য আমাদের সমাজে বলা হয়ে থাকে। এই ধরনের বাক্য বলে অন্যদেরকে গুনাহের প্রতি উস্কানি দেওয়া হয়, এটিও গুনাহ প্রচলনের একটি রূপ। (১০) একইভাবে টিভি চ্যানেল, ইউটিউব, ফেসবুক, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদির মাধ্যমে গুনাহকে প্রচার করা, এর প্রতি উৎসাহিত করা, বেপর্দা, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ, কৌতুক, গান-বাজনাকে আধুনিক যুগের প্রয়োজন বলে আখ্যায়িত করা ইত্যাদি সবই গুনাহ প্রচলনের রূপ যা আমাদের সমাজে ব্যাপক হয়ে গিয়েছে।
আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআনে বলেছেন:
وَ لَا تُفْسِدُوْا فِی الْاَرْضِ بَعْدَ اِصْلَاحِهَا
(পারা ৮, সূরা আরাফ, আয়াত ৫৬)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: আর পৃথিবীতে ফাসাদ করিও না সেটিকে সংশোধন করার পর।
অর্থাৎ, আল্লাহ পাক রাসূল পাঠিয়েছেন, শরীয়তের বিধান বর্ণনা করেছেন, সৎকাজের দাওয়াত দিয়েছেন, গুনাহ থেকে নিষেধ করেছেন; সুতরাং এখন গুনাহ ও অবাধ্যতা করে, অন্যদেরকে গুনাহের দিকে ডেকে জমিনে ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করো না!
(তাফসীরে মাযহারী, পারা: ৮, সূরা আরাফ, আয়াতের পাদটীকা: ৫৬, খন্ড: ৩, পৃ: ৪১)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami