Share this link via
Personality Websites!
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: বলল, "আজ তোমাদেরকে কোনরূপ তিরস্কার করা হবে না।"
!سُبْحَانَ الله কী শান! হযরত ইউসুফ عَلَیْہِ السَّلَام-এর ভাইয়েরা পরে তাওবা করেছিলেন, তারা সবাই একজন নবী হযরত ইয়াকুব عَلَیْہِ السَّلَام-এর সন্তান এবং একজন নবী হযরত ইউসুফ عَلَیْہِ السَّلَام-এর ভাই এবং সবাই আল্লাহ্র ওলী ছিলেন। কিন্তু চিন্তা করুন! তারা তাঁকে কত কষ্ট দিয়েছিলেন, তা সত্ত্বেও হযরত ইউসুফ عَلَیْہِ السَّلَام-এর উন্নত চরিত্র দেখুন! তাঁর ক্ষমতা ছিল, তিনি মিসরের আযীয (অর্থাৎ মিসরের বাদশাহ) ছিলেন, তিনি চাইলে তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিতে পারতেন, কিন্তু তিনি তাদেরকে ক্ষমা করে দিলেন। অতএব, আমাদেরও সাহস করা উচিত! আজ সাহস করব, নিজের অহংকারকে দূরে সরিয়ে, ধৈর্যের ঢোক গিলে মনোমালিন্য দূর করব, মীমাংসার দিকে এগিয়ে যাব, তাহলে! اِنْ شَآءَ الله দ্বীন ও দুনিয়ার কল্যাণ নসীব হবে।
আত্মীয়তা বজায় রাখার ১০টি উপকারিতা
হযরত আবুল লাইস সমরকান্দী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আত্মীয়তা বজায় রাখার ১০টি উপকারিতা রয়েছে: (১) আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়, (২) মানুষের খুশির কারণ হয়, (৩) ফেরেশতারা আনন্দিত হন, (৪) মুসলমানদের পক্ষ থেকে এই ব্যক্তির প্রশংসা হয়, (৫) শয়তান এতে কষ্ট পায়, (৬) হায়াত বৃদ্ধি পায়, (৭) রিযিকে বরকত হয়, (৮) মৃত পূর্বপুরুষরা (অর্থাৎ মুসলিম বাপ-দাদারা) খুশি হন, (৯) নিজেদের মধ্যে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়, (১০) মৃত্যুর পর তার সাওয়াব বৃদ্ধি পায়, কারণ লোকেরা তার জন্য দোয়া করে। (তানবীহুল গাফিলীন, বাবু সিলাতুর রেহেম, ৭৪ পৃ:, সারসংক্ষেপ)
আল্লাহ পাক আমাদেরকে আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার, সম্পর্ক গড়ার এবং মানুষের সাথে ভালো আচরণ করার তাওফিক
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami