Share this link via
Personality Websites!
সেখানেই তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। (২): দ্বিতীয় অংশ: ১৮ বছর বয়স থেকে ৫১ বছর বয়স পর্যন্ত, এটি মোট ৩৩ বছর হয়। এই সময়ে হুযুর গাউসে পাক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বাগদাদে অবস্থান করেন এবং এখানে দ্বীনী ইলম অর্জন করেন। এই সময়ে তিনি অনেক মোযাহাদাও করেন। তিনি জঙ্গলে অবস্থান করতেন, নির্জনে থেকে আল্লাহ পাকের ইবাদত করতেন এবং যিকিরে মশগুল থাকতেন। (৩): তৃতীয় অংশ: ৫১ বছর বয়স থেকে ৯১ বছর বয়স পর্যন্ত অর্থাৎ মোট ৪০ বছর। এই সময়ে হুযুর গাউসে পাক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ আনুষ্ঠানিকভাবে দরস ও বয়ানের ধারা শুরু করেন, নেকীর দাওয়াতকে প্রসার করেন, দ্বীনী ইলমের আলো ছড়ান, হেদায়েতের প্রদীপ জ্বালান, মানুষকে সত্য দ্বীনের পথ দেখান, সুন্নাতকে প্রসার করেন এবং হাজার হাজার পথহারা মানুষকে সরল পথের মুসাফির বানান।
দরস ও বয়ান সম্পর্কে গাউসে পাকের রুটিন
* হুযুর গাউসে পাক, শায়খ আব্দুল কাদের জিলানী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ সপ্তাহে ৩ দিন বয়ান করতেন। * ইবরাহীম ইবনে সা’দ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: হুযুর গাউসে পাক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ উলামাদের পোশাক পরিধান করতেন এবং উঁচু স্থানে (যেমন; মিম্বর ইত্যাদিতে) বসে বয়ান করতেন। * হুযুর গাউসে পাক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: প্রথমে আমার কাছে দুইজন বা তিনজন লোক বসতো, তারপর ধীরে ধীরে মানুষের ভিড় বাড়তে লাগলো। লোকেরা দূর দূরান্ত থেকে ঘোড়া, খচ্চর এবং উট ইত্যাদি বাহনে চড়ে বয়ান শুনতে আসতো। সেই সময় প্রায় ৭০ হাজার মানুষের সমাবেশ হতো (পরে এই সমাবেশের সংখ্যা আরও বেড়ে গিয়েছিল)। (বাহজাতুল আসরার, পৃ: ১৭৭)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami