Share this link via
Personality Websites!
মর্যাদা এবং শান ও মহত্বের সুসংবাদ দিয়েছেন এবং হুযুর গাউসে পাক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর সম্মানিত পিতাকে এটাও জানিয়ে দেয়া হলো যে, তোমার সন্তান সকল আউলিয়াদের সরদার হবে। সুতরাং তাঁর জন্ম হতেই বরকত ও মাহাত্ম প্রকাশ হওয়া শুরু হলো।
তাঁর আকৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে আবু আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন কুদুমা رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: শায়খুল ইসলাম, সুলতানুল আউলিয়া, মুহিউদ্দিন, সৈয়দ আব্দুল কাদের জিলানী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর শরীর নরম, মধ্যম উচ্চতা, প্রশস্ত বুক এবং লম্বা দাড়ি আর গোধুম বর্ণের অধিকারী ছিলেন। তাঁর দুই ভ্রু পরস্পর মিলিত ছিলো, মুবারক আওয়াজ উচ্চ এবং চেহারা খুবই সুন্দর ছিলো। তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ খুবই বুদ্ধিমান ছিলেন। (নুযহাতুল খাতিরিল ফাতির, পৃষ্ঠা-১৯)
তখনো তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ছোটই ছিলেন যে, তাঁর সম্মানিত পিতা হযরত সায়িদুনা আবু সালেহ মূসা জঙ্গি দোস্ত رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ইন্তিকাল করেন, তাঁর নানা হযরত আব্দুল্লাহ সুময়ি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ তাঁর লালন পালন করেন, যিনি জিলান শরীফের মাশয়িকে কিরামদের অর্ন্তভুক্ত ছিলেন এবং অত্যন্ত মুত্তাকী ও পরহেযগার ছাড়াও দয়া ও উৎকর্ষতার মালিক ছিলেন। তাঁর থেকে হুযুর গাউসে পাক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ প্রাথমিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
আল্লাহ কি রহমত গাউসে পাক হো হাম পে ইনায়াত গাউসে পাক
হে বাইসে বরকত গাউসে পাক কমজোড় কি তাকত গাউসে পাক
Æ মারহাবা ইয়া গাউসে পাক Æ মারহাবা ইয়া গাউসে পাক
Æ মারহাবা ইয়া গাউসে পাক
হুযুর গাউসে পাক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করার পর আরো ইলমে দ্বীন শিখার জন্য ৪৮৮ হিজরীতে ১৮ বছর বয়সে বাগদাদ শরীফ তাশরীফ নিয়ে আসেন। (সীয়রিল আকতাব, পৃষ্ঠা-১৫৯) কেননা বাগদাদই সেই যুগে শিক্ষা ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মুসলমানদের কেন্দ্র ছিলো।
ইলমে দ্বীন অর্জনের প্রতি ইঙ্গিত
শায়খ মুহাম্মদ বিন কায়েদ আলাওয়ানী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: একবার গাউসে সামাদানী, শায়খ আব্দুল কাদের জিলানী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর দরবারে উপস্থিত ছিলাম, আমি তাঁর নিকট
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami