Share this link via
Personality Websites!
জন্য তো ফরয বা ওয়াজিব, যদি কেউ তা বর্জন করে তবে গুনাহগার হবে। কিন্তু হুযুর পুরনূর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم নিজের বিশেষ ক্ষমতাবলে সম্মানিত হওয়ার কারণে এক বা কয়েক জনকে সেই ফরয ও ওয়াজিব বর্জন করার অনুমতি প্রদান করেন। শুধু তাই নয় কোন জিনিস যা সকল উম্মতের জন্য হারাম ও নাজায়েয আর যদি তা কেউ করে তবে গুনাহগার হবে। কিন্তু হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কোন বিশেষ ব্যক্তি বা বিশেষ ব্যক্তিবর্গের জন্য সেই হারাম ও নাজায়েয জিনিসকে হালাল ও জায়িয করে দিলেন।
আসুন! এই বিষয়ে হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর ক্ষমতার কিছু ঈমান তাজাকারী ঘটনা শুনি:
নামায ক্ষমা করার ক্ষেত্রে নবীর ক্ষমতা
এতে কোন সন্দেহ নেই যে, প্রত্যেক মুসলমানের উপর দিন রাত পাঁচ (৫) ওয়াক্ত নামায আদায় করা ফরয। এর ফরযিয়্যত অস্বীকার করা কুফরী এবং জেনে শুনে একবারও ছেড়ে দেওয়া ব্যক্তি কবীরা গুনাহ সম্পাদনকারী এবং জাহান্নামের আগুনের হকদার। যেমন- নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: “خَمْسُ صَلَوَاتٍ فِى الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ অর্থাৎ দিন রাত পাঁচ (৫) ওয়াক্ত নামায ফরয।” (মুসলিম, কিতাবুল ঈমান, ২৪ পৃষ্ঠা, হাদীস: ১১) কিন্তু উৎসর্গ হয়ে যান! হুযুর পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর ক্ষমতার উপর যে, সকল উম্মতের উপর পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয হওয়ার পরও এক ব্যক্তির আবেদন কবুল করে তাকে তিন (৩) ওয়াক্ত ফরয নামায ছেড়ে দেয়ার অনুমতি প্রদান করলেন। যেমন-
বর্ণিত আছে: এক ব্যক্তি নবীয়ে আকরাম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং এই শর্তে ইসলাম কবুল করার জন্য সম্মত হলো যে, আমি দুই (২) ওয়াক্ত নামাযই পড়ব। হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তা কবুল করে নিলেন। (মুসনাদে আহমদ, মুসনাদুল বসিরিন, ৭/২৮৩, হাদীস: ২০৩০৯)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami