Share this link via
Personality Websites!
হজ্ব করা ফরয হয়ে যেত। (মুসলিম, কিতাবুল হজ্ব, ৬৯৮ পৃষ্ঠা, হাদীস: ১৩৩৭)
মনে রাখবেন! হজ্ব জীবনে একবারই ফরয। যেমন- হাদীসে পাকে বর্ণিত রয়েছে, সাহাবীয়ে রাসূল হযরত আকরা বিন হাবিস رَضِیَ اللهُ عَنْہُ রাসূলুল্লাহ্ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে প্রতি বছর হজ্ব ফরয হওয়ার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছিলেন: “بَلْ مَرَّۃً وَاحِدَۃً فَمَنْ زَادَ فَتَطَوُّعٌ অর্থাৎ হজ্ব একবারই ফরয, যে একের অধিক করবে তা নফল হিসেবে গণ্য হবে।” (মুসতাদরিক, কিতাবুত তাফসির, ২/১১, হাদীস: ৩২১০)
!سُبْحَانَ الله হুযুরে আনওয়ার صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর শান ও মহত্ব, ক্ষমতা ও উম্মতের চিন্তার অনুমান এই বিষয়টি দিয়ে করুন যে, প্রতি বছর হজ্ব ফরয করার ক্ষমতা থাকা সত্বেও উম্মতকে কষ্ট থেকে বাঁচানোর জন্য “হ্যাঁ” বলে প্রতি বছর হজ্ব করাকে ফরয করেননি। অথচ নিজের ক্ষমতার এভাবে প্রকাশ করেছেন যে, যদি আমি “হ্যাঁ” বলে দিতাম তবে প্রতি বছর হজ্ব ফরয হয়ে যেত। মনে রাখবেন! এটা কোন প্রথম ঘটনা নয় বরং অনেকবার রাসূলে আকরাম, নূরে মুজাস্সম, হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আমরা গুনাহগারদের কষ্ট এবং অপারগতার দিকে দৃষ্টি রেখে শরীয়তের মাসয়ালায় আমাদের সহজতার বিশেষ নজর রাখতেন। আসুন! এই বিষয়ে প্রিয় নবী, মাক্কী, মাদানী মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নিজ ক্ষমতা এবং উম্মতের জন্য হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর হিতাকাঙ্ক্ষীতার ব্যাপারে তিনটি বানী শুনি এবং আন্দোলিত হই,
১. “لَوْلَا اَنْ اَشُقَّ عَلٰى اُمَّتِيْ لَفَـرَضْتُ عَلَيْہِمُ السِّوَاكَ كَمَا فَـرَضْتُ عَلَيْہِمُ الْوُضُو ْءَ
অর্থাৎ যদি আমার উম্মতের কষ্টের কথা মাথায় না থাকতো তবে আমি অবশ্যই মিসওয়াককে সেই ভাবে ফরয করে দিতাম যেভাবে আমি তাদের উপর অযুকে ফরয করেছি।”
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami