Share this link via
Personality Websites!
(২) ছেলের মৃত্যুতে মুচকি হাসি
সিলসিলা-ই-আলিয়া চিশতিয়ার মহান বুজুর্গ হযরত ফুযাইল বিন আয়ায رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ কে কখনো কেউ হাসতে দেখেনি। কিন্তু যেদিন তাঁর رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ সাহেবজাদা হযরত আলী বিন ফুযাইল رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর ইন্তেকাল হলো, সেদিন তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ হাসতে লাগলেন। লোকেরা আরজ করল: এটা খুশির কোন সুযোগ যে, আপনি হাসছেন? তিনি বললেন: আমি আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির উপর রাজি হয়ে হাসছি, কারণ আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টির কারণেই আমার ছেলে মারা গেছে। রবের পছন্দই আমার পছন্দ।
(তাযকিরাতুল আউলিয়া, ১/৮৬-৮৭, সংক্ষেপে)
(৩) আমি কি খুশি, না দুঃখিত?
হযরত মুতাররিফ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর ছেলে মারা গেল। লোকেরা তাঁকে খুব খুশি দেখল এবং বলল: কী ব্যাপার, আপনি দুঃখিত হওয়ার পরিবর্তে খুশি দেখাচ্ছেন? তিনি বললেন: যখন আমি এই (আঘাত) বা Shock এর উপর ধৈর্যের কারণে আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে দরূদ, রহমত এবং হিদায়াতের সুসংবাদ পেয়েছি, তখন আমি খুশি হব না দুঃখিত হব?
(মুখতাসার মিনহাজুল কাসিদিন, পৃ. ৩২২)
!سُبْحَانَ الله আপনারা শুনলেন যে, বিপদে পতিত হওয়ার পর আল্লাহ ওয়ালাদের বিপদের উপর ধৈর্যধারণের (ভঙ্গি) কতই না (অনন্য) হয়! যারা বড় থেকে বড় বিপদ আসার পরেও দুঃখিত ও পেরেশান হওয়ার পরিবর্তে রবের সন্তুষ্টির উপর রাজি থাকেন এবং সেই মুহূর্তেও এমনই খুশি থাকেন, যেমন আমরা সাধারণ মানুষ নিয়ামত পেয়ে খুশি হই। বর্ণিত ঘটনাগুলিতে বিশেষ করে সেইসব লোকদের জন্য উপদেশের মাদানী ফুল রয়েছে, যারা এই অভিযোগ করতে দেখা যায় যে, আমরা তো দীর্ঘ সময় ধরে অমুক পেরেশানি বা অসুস্থতায় (আক্রান্ত), এর থেকে মুক্তির জন্য কেঁদে কেঁদে দুআ করি, করাই, অজিফা-দোয়াও পড়ি, নামায-রোযার (নিয়মানুবর্তিতা) করি, সদকা-খয়রাতও করি, বুজুর্গদের (দরবারে) গিয়ে দুআও চাই, গরিবদের খাবারও খাওয়াই, সুন্নতে ভরা ইজতেমায় অংশগ্রহণও করি, অনেকবার মাদানী কাফেলায় সফরও করেছি, কোনো পীর-ফকির ছাড়িনি,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami