Share this link via
Personality Websites!
শায়েখে তরিকত, আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ এর প্রদত্ত “৭২ নেক আমল” এর মধ্যে একটি নেক আমল নম্বর ৪২ হলো এই যে, “আজ আপনি কি এমন কোনো বিনয়সূচক শব্দ, যা অন্তর সমর্থন করে না, ব্যবহার করে নিফাক ও রিয়াকারীর মতো অপরাধ করেছেন? যেমন, মানুষের অন্তরে নিজের সম্মান তৈরির জন্য এভাবে বলা: ‘আমি তুচ্ছ, আমি অধম’, অথচ অন্তরে এমনটা মনে না করা।” এটি এমন একটি নেক আমল যার উপর আমল করার বরকতে আমরা নিফাক ও রিয়াকারীর মতো বাতেনী (অভ্যন্তরীণ) গুনাহ থেকে বাঁচতে পারি। আল্লাহ পাক আমাদেরকে নেক আমলের উপর আমল করার তাওফিক দান করুক।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! বয়ানকে সমাপ্তির দিকে নিয়ে যেতে যেতে সুন্নাতের ফযিলত এবং জীবনযাপনের কিছু আদব বর্ণনা করার সৌভাগ্য অর্জন করছি। আল্লাহ পাকের প্রিয় হাবীব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: مَنْ اَحَبَّ سُنَّتِی فَقَدْ اَحَبَّنِی وَمَنْ اَحَبَّنِی كَانَ مَعِیَ فِی الْجَنَّةِ যে আমার সুন্নাতকে ভালোবাসলো, সে আমাকেই ভালোবাসলো, আর যে আমাকে ভালোবাসলো, সে জান্নাতে আমার সাথেই থাকবে।
(মিশকাত, কিতাবুল ঈমান, বাবুল ই’তিসাম, ১/৫৫, হাদিস: ১৭৫)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আসুন, মাকতাবাতুল মদীনার রিসালা “মাযারাতে আউলিয়া কী হিকায়াত” থেকে মাযার শরীফে উপস্থিতির পদ্ধতি এবং এর মাদানী ফুল শ্রবণ করি, যেমন;
আউলিয়ায়ে কেরাম رَحِمَہُمُ اللهُ السَّلَام এর পবিত্র মাযারসমূহে হাজিরা দেওয়া এবং তাঁদের থেকে ফয়েজ অর্জন করা বুজুর্গানে দ্বীনের রীতি ছিল। যেমন, ফিকহে হাম্বলীর অনুসারীদের শাইখ ইমাম খল্লাল رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আমার যখনই কোনো সমস্যা হতো, আমি ইমাম মূসা কাযিম বিন জাফর সাদিক رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর মাযারে উপস্থিত হয়ে তাঁর
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami