Share this link via
Personality Websites!
অধিকাংশ মুফাসসিরীনে কিরাম رَحْمَۃُ
اللهِ عَلَیْہِمْ اَجْمَعِیْن এর মত হলো, এই আয়াতে মুবারাকা হযরত আলী মুরতাজা, হযরত ফাতিমা যাহরা, হযরত ইমাম হাসান এবং হযরত ইমাম হুসাইন رَضِیَ
اللهُ عَنْہُمْ اَجْمَعِين এর শানে নাযিল হয়েছে। হযরত ইমাম আহমদ رَحْمَۃُ
اللهِ عَلَیْہِ হযরত আবু সাঈদ খুদরী رَضِیَ
اللهُ عَنْہُ থেকে বর্ণনা করেন যে, এই আয়াত (পাক পাঞ্জাতন) এর শানে নাযিল হয়েছে। পাক পাঞ্জাতন দ্বারা উদ্দেশ্য হুযুর নবী করীম
صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم , হযরত আলী, হযরত ফাতিমা, হযরত ইমাম হাসান এবং হযরত ইমাম হুসাইন رَضِیَ
اللهُ عَنْہُمْ (সাওয়ানেহে কারবালা, পৃষ্ঠা ৭৯, ৮০, সংক্ষেপিত)
এক বর্ণনায় এটাও আছে যে, হুযুর জানে আলম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এই মহান ব্যক্তিদের সাথে তাঁর বাকি কন্যা, আত্মীয়-স্বজন এবং পবিত্র স্ত্রীদেরও অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
(আস-সাওয়াইকুল মুহরিকা, একাদশ অধ্যায়, প্রথম পরিচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ১৩৩)
আয়াতে মুবারাকার তাফসীর করতে গিয়ে হযরত ইমাম তাবারী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: অর্থাৎ হে আলে মুহাম্মদ (صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم)! আল্লাহ্ করীম চান যে তোমাদের থেকে মন্দ কথা ও অশ্লীল জিনিস দূর করে দেবেন এবং তোমাদেরকে গুনাহের ময়লা থেকে পাক-সাফ করে দেবেন।
(তাবারী, পারা ২২, আহযাব, আয়াত ৩৩ এর অধীনে, ১০/২৯৬)
সদরুল আফাযিল হযরত আল্লামা মাওলানা সাইয়্যিদ মুফতী মুহাম্মদ নঈমুদ্দীন মুরাদাবাদীرَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: এই আয়াতে করীমা আহলে বাইতে কিরাম (رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ اَجْمَعِين) এর ফযীলতের ঝর্ণা। এবং এর থেকে জানা যায় যে, সমস্ত মন্দ চরিত্র ও নিন্দনীয় অবস্থা (অর্থাৎ খারাপ চরিত্র ও স্বভাব) থেকে তাঁদেরকে পবিত্র করা হয়েছে (অর্থাৎ তাঁদেরকে খারাপ চরিত্র থেকে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে)। কিছু হাদীসে বর্ণিত আছে যে, আহলে বাইত رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ اَجْمَعِين জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত (অর্থাৎ জান্নাতী) এবং এটাই সেই পবিত্রতার উপকার ও ফল, আর যা কিছু তাঁদের উন্নত অবস্থার যোগ্য নয়, তা থেকে তাঁদের পরওয়ারদিগার তাঁদেরকে সুরক্ষিত রাখেন ও বাঁচান। (সাওয়ানেহে কারবালা, পৃষ্ঠা ৮২)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami