Share this link via
Personality Websites!
অপরকেও শেখানো যেনো নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم খুশি হয়ে কিয়ামতের দিন তাঁর গুনাহগার উম্মতদের শাফায়াত করে জান্নাতে আমাদেরও তাঁর সাথে নিয়ে যান।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
ফারুকে আযম رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর পরিচিতি
দ্বিতীয় খলিফা, জা’নশিনে পায়গম্বর, হযরত ওমর رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর কুনিয়ত অর্থাৎ উপনাম হলো “আবু হাফ্স” আর উপাধি “ফারুকে আযম”। এক বর্ণনায় রয়েছে; তিনি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ৩৯ জন পুরুষের পর, নবী করীম, রউফুর রহীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর দোয়ায় নবুয়ত প্রকাশের ৬ষ্ঠ বর্ষে ঈমান আনয়ন করেন, তাই তাঁকে “مُتَمِّمُ الْاَربَعِین অর্থাৎ ৪০ এর সংখ্যা পূর্ণকারী” বলা হয়। তিনি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ইসলাম গ্রহণ করাতে মুসলমানরা সীমাহীন খুশি হয়েছিলো এবং তারা অনেক বড় একজন সাহায্যকারী পেয়ে গেলেন, এমনকি প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم মুসলমানদের সাথে মিলে পবিত্র হেরেমে প্রকাশ্যে নামায আদায় করেন। তিনি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ইসলামী যুদ্ধে মুজাহিদের মতো শান নিয়ে অংশগ্রহণ করেন এবং সকল ঘনিষ্টজনদের মধ্যে রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর উজীর ও পরামর্শদাতা হিসেবে বিশ্বস্ত ও সাথী ছিলেন। প্রথম খলিফা, আমিরুল মুমিনিন হযরত আবু বকর সিদ্দিক رَضِیَ اللهُ عَنْہُ তাঁর পরে হযরত ফারুকে আযম رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে খলিফা হিসেবে মনোনিত করেন, তিনি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ খেলাফতের মসনদে সমাসীন হয়ে প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর যোগ্য উত্তরসূরীর সকল দায়িত্ব খুবই সুন্দরভাবে পালন করেন।
অবশেষে ফজরের নামাযে এক দূর্ভাগা তিনি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে চুরি দ্বারা আঘাত করে এবং তিনি رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এই আঘাত সহ্য করতে না পেরে তৃতীয়দিন শাহাদতের সৌভাগ্য অর্জন করেন। ওফাতের সময় তাঁর বয়স ছিলো ৬৩ বছর। হযরত সুহাইব رَضِیَ اللهُ عَنْہُ তাঁর জানাযার নামায পড়ান এবং অমূল্য রত্ন, ফয়যানে নবুয়তের ফয়েযপ্রাপ্ত, প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর খলিফা হযরত ওমর বিন খাত্তাব رَضِیَ اللهُ عَنْہُ রওযা মুবারকের ভেতরে আমিরুল মুমিনিন হযরত সিদ্দিকে আকবর رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর নূরানী পাশ মুবারকে সমাহিত
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami