Share this link via
Personality Websites!
(আল ইকমাল ফি আসমায়ির রিজাল, ৭১৪ পৃ:, ফাতেমাতুল কুবরা, ৮৭ পৃ:)
সায়্যিদা ফাতেমা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا এর জাহেরী ওফাত প্রিয় নবী, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর জাহেরী ওফাতের ৬ মাস পর ৩ রমযানুল মুবারক হয়। তাঁর মাযারে পাক জান্নাতুল বাকীতে অবিস্থত। (শরহুয যুরক্বানী, আল ফসলুস সানী, ৪/৩৩৬) আল্লাহ পাকের রহমত তাঁর উপর বর্ষিত হোক আর তাঁর সদকায় আমাদের বিনা হিসাবে ক্ষমা হোক।
اٰمِين بِجا هِ خَاتَمِ النَّبِيّٖن صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
সায়্যিদা ফাতেমা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا এর ২টি মহান গুণাবলী
হে আশিকানে রাসূল! সায়্যিদা খাতুনে জান্নাত, হযরত ফাতেমা
رَضِیَ
اللهُ عَنْہَا এর গুণাবলি ও মর্যাদা গণনা করা যাবে না, ওলামায়ে কিরাম তাঁর গুণাবলি ও মর্যাদার উপর অসংখ্য কিতাবাদি লিখেছেন, এতো ফযিলত ও উৎকর্ষতা এবং গুণাবলি রয়েছে। অবশ্য আসুন! আমরা তাঁর দুইটি মহান গুণাবলীর ব্যাপারে শুনে বুঝার চেষ্টা করি, এই ২টি গুণাবলির মধ্যে প্রথমটি হলো: সায়্যিদা পাক رَضِیَ اللهُ
عَنْہَا এর ফাকর আর অন্যটি হলো: তাঁর পরোপকারের প্রেরণা।
সায়্যিদা কায়িনাত رَضِیَ اللهُ عَنْہَا ফাকর এর ক্ষেত্রেও অসাধারণ উৎকর্ষতা রাখতেন এবং পরোপকারের ক্ষেত্রেও নিজের উপমা তিনি নিজেই ছিলেন।
আমাদের সমাজে সাধারণত
“ফাকর” শব্দটি দ্বারা দারিদ্রতা ও অসচ্ছলতা বোঝানো হয়,
হযরত ফাতেমাতুয যাহরা رَضِیَ
اللهُ عَنْہَا আল্লাহর পানাহ!
এই অর্থে ফকির ছিলেন
না, আল্লাহ পাক বেয়াদবি থেকে রক্ষা করুন!
এই হিসেবে তো সায়্যিদা ফাতেমা رَضِیَ
اللهُ عَنْہَا এরচেয়ে বড় ধনী আর কেউ হতে পারে না,
তিনি মালিকে জান্নাত,
সাহিবে কাউসার প্রিয় নবী
صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ
وَسَلَّم এর শাহজাদী,
কেই মানুক বা না মানুন সত্য
তো এটাই যে, আজও দুনিয়া পবিত্র পাঞ্জেতনের
(অর্থাৎ (১) আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی
اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم (২) তাঁর শাহজাদী হযরত খাতুনে জান্নাত
(৩) তাঁর স্বামী মাওলা আলী মুশকিল কোশা আর তাঁদের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami