Share this link via
Personality Websites!
মুবারক ৪১ ছিলো, মক্কায়ে মুকাররমায় জন্মগ্রহন করেন এবং আরেক বর্ণনা অনুযায়ী তাঁর বরকতময় বিলাদত নবুয়ত প্রকাশের ৫ বছর পূর্বে হয়েছে। (শরহুয যুরক্বানী, আল ফাসলুস সানী, ৪/৩৩১) তাঁর নাম “ফাতেমা” আল্লাহ পাক রেখেছেন। যেমনটি হাদীসে পাকে রয়েছে: নিশ্চয় আমার মেয়ের নাম আল্লাহ পাক “ফাতেমা” রেখেছেন, কেননা তাঁকে আল্লাহ পাক জাহান্নাম থেকে দূরে করে দিয়েছেন। (সুবুলুল হুদা, ১১/৫২) অপর এক হাদীসে পাকে রয়েছে: তাঁর নাম ফাতেমা রাখা হয়েছে, কেননা আল্লাহ পাক তাঁকে এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসা পোষণকারীদের দোযখ থেকে মুক্ত করে দিয়েছেন। (কানযুল উম্মাল, ১২তম অংশ, ৫০ পৃ:, হাদীস: ৩৪২২২)
“বতুল” ও “যাহরা” সায়্যিদা ফাতেমা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا এর প্রসিদ্ধ উপাধি, প্রসিদ্ধ মুফাসসিরে কুরআন, হাকিমুল উম্মত মুফতি আহমদ ইয়ার নঈমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: যেহেতু তিনি দুনিয়াতে থাকা অবস্থায়ও দুনিয়া থেকে পৃথক ছিলেন, তাই তিনি “বতুল” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। (মিরআতুল মানাজীহ, ৪/৪৫২) অন্য এক স্থানে মুফতি সাহেব رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ লিখেন: তিনি رَضِیَ اللهُ عَنْہَا জান্নাতের কলি ছিলেন অথচ তাঁকে কখনো এমন দেখা যায়নি যার ফলে মহিলারা কষ্ট পেতো আর তাঁর শরীর মুবারক থেকে জান্নাতের সুগন্ধি আসতো, যা হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সুঘ্রাণ নিতেন, এজন্য তাঁর উপাধি “যাহরা” হলো অর্থাৎ জান্নাতের কলি। (মিরআতুল মানাজীহ, ৮/৪৫৩)
সায়্যিদা ফাতেমা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا এর মর্যাদা আসমানের তারকার ন্যায় অসংখ্য। বুখারী শরীফে রয়েছে; নবীয়ে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: هِیَ بَضْعَةٌ مِنِّی يُرِيبُنِی مَا أَرَابَهَا وَيُؤْذِينِی مَا آذَاهَا ফাতেমা আমার শরীরের অংশ, যেই বিষয়টি তাঁর অপছন্দ হয় তা আমারও অপছন্দ আর যেই বিষয়টি তাঁকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয়। (বুখারী, কিতাব: নিকাহ, ১৩৪৪ পৃ:, হাদীস: ৫২৩০)
২য় হিজরি সনে হযরত ফাতেমা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا এর বিবাহ মাওলা আলী শেরে খোদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর সাথে হয় এবং সেই বছর যিলহজ্ব মাসে কনে বিদায় হয়। তাঁর থেকে তিন ছেলে আর তিন মেয়ের জন্ম হয়, তাঁদের নাম: হাসান, হোসাইন ও মুহসিন رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ। আর মেয়েদের নাম: যায়নব, উম্মে কুলছুম, রুকাইয়া رَضِیَ اللهُ عَنْہُنَّ।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami