Share this link via
Personality Websites!
ইজতিমা বা হালকা আকারে দরস, বয়ান, যিকির আযকার ইত্যাদির ধারাবাহিকতা চলমান ছিলো)।
(!سُبْحٰانَ لله কতইনা সুন্দর, অনন্য, ভালোবাসাপূর্ণ ঈমান উদ্দীপক দৃশ্য ছিলো....!!
যাইহোক! বর্ণানাকারী বলেন: নুরানী মাহফিল সজ্জিত ছিলো এরই মধ্যে ৩জন ব্যক্তি সেখান দিয়ে অতিক্রম করে যাচ্ছিলো,তারা যখন দেখলো যে, মসজিদে নববী শরীফে নুরানী মাহফিল চলমান রয়েছে, নবী করিম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সাহাবায়ে কেরামদের عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন, তখন তাদের মধ্যে হতে একজন তো আপন গন্তব্যে চলে গেলো, বাকি ২জন মসজিদে বসে গেলো, সেই ২জনের মধ্যে একজন খালি জায়গা দেখে সামনে অগ্রসর হয়ে সেখানে বসে গেলো, অপরজন কোন জায়গা পেলো না, যার কারণে তিনি সবার শেষে বসে গেলো।
যখন প্র্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم (দরস, বয়ান ইত্যাদি) থেকে অবসর হলেন, তখন ইরশাদ করলেন: আমি কি তোমাদেরকে ৩জন লোকের ব্যাপারে জানাবো না .... ? * তাদের মধ্যে হতে একজন আল্লাহ পাকের নিকট আশ্রয় নিলো তো আল্লাহ পাক তাকে আপন আশ্রয় দান করলেন। * দ্বিতীয়জন লজ্জা করলো এই কারণে আল্লাহ পাকও লজ্জা করলেন * আর তৃতীয়জন বিমুখ হলো তখন আল্লাহ পাকও তার থেকে বিমুখ হলেন। (বুখারী, কিতাবুল ইলম, পৃ: ৯০, হাদিস: ৬৬)
এই হাদিসে পাকের ব্যাখ্যায় ওলামায়ে কেরাম বলেন: এই হাদিসের সারাংশ হলো সেই ৩জন লোকের মধ্যে থেকে প্রথম সাহাবী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ সেই মুবারক মজলিস (অর্থাৎ মসজিদে নববী শরীফে সজ্জিত সেই পবিত্র মাহফিলে সামনের জায়গা অন্মেষণ করেছিলেন) সুতরাং আল্লাহ পাক তাঁকে তাঁর মাহবুব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নিকটে জায়গা দান করলেন অথবা এই উদ্দেশ্য হতে পারে যে, সেই নেক আমলের বরকতে কিয়ামতের দিন তাঁকে আরশের নিচে জায়গা দান করা হবে। দ্বিতীয় সাহাবী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ নবী করিম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে লজ্জা করেছিলেন যে, তিনি বয়ান করছেন,তাই তিনি পিছনে বসে প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সুন্দর সুন্দর বাণীগুলো শোনার মধ্যে মগ্ন হয়ে গেলেন) এই আদবের বরকতে আল্লাহ পাকও তাঁর প্রতি লজ্জা করলেন অর্থাৎ তাঁর উপর দয়া করলেন এবং গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিলেন। আর তৃতীয় ব্যক্তি (যে সম্ভবত মুনাফিক ছিলো) (ফতহুল বারী, কিতাবুল ইলম, খন্ড ২, পৃ: ২০৭, হাদিস: ৬৬) সে কোন ধরনের অক্ষমতা ছাড়াই বিমুখ হলো, এর পরিণাম এটা হলো যে, আল্লাহ পাক তার প্রতি বিমুখ হলো (অর্থাৎ রহমত থেকে বঞ্চিত করলেন )।
(উমদাতুল কারী, কিতাবুল ইলম, খন্ড ২, পৃ: ৪৭, হাদিস: ৬৬)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এই হাদিসে পাকে আমাদের জন্য অনেক শিক্ষা রয়েছে, উদাহরণ স্বরুপ * এই হাদিসে পাক থেকে জানা গেলো যে, মসজিদে দ্বীনি হালকা,মাহফিল বা ইজতিমার আয়োজন করা মুস্তাহাব তথা সাওয়াবের কাজ। * এটাও জানা গেলো যে, এমন মজলিস (মাহফিল বা দ্বীনি ইজতিমা) যেখানে ইলমে দ্বীন শিখানো হচ্ছে, সেই মজলিসে উপস্থিত
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami