Share this link via
Personality Websites!
ওলামায়ে কেরামগন বলেন: আল্লাহ পাক প্রায় একলাখ ২৪ হাজার আম্বিয়ায়ে কেরাম عَلَیْهِمُ السَّلَام প্রেরণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে যাঁরা রাসূল, তাঁদের সংখ্যা হলো ৩১৩ আর মুহাম্মদ শব্দের عِلْمِ بَسْط এর দৃষ্টিতে সংখ্যাও ৩১৩টি, এতে ইশারা রয়েছে যে মুহাম্মদ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সেই ৩১৩জন রাসূলের বৈশিষ্ট্য, তাঁদের ক্ষমতা, উচ্চ মর্যাদা ও গুণাবলির অধিকারী।
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! এটা একটা ইশারা ছিলো, নতুবা প্রকৃত অর্থ এটা যে পূর্বে যতো আম্বিয়া ও রাসূল অতিবাহিত হয়েছেন, তাঁদের সকলকে যতো গুণাবলি, যতো পরিপূর্ণতা দান করা হয়েছে, আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে ঐসব গুণাবলি ও পরিপূর্ণতা দান করা হয়েছে বরং সত্য কথা তো এটা যে তাঁরা সকলে যা কিছু পেয়েছেন সব নবীয়ে আকরাম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সদকাই পেয়েছেন। আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআনে করীমে অনেক নবীদের আলোচনা করার পর বলেন:
اُولٰٓئِکَ الَّذِیْنَ ھَدَی اللّٰہُ فَبِہُدٰىہُمُ اقْتَدِہْ
(পারা: ৭, সূরা আনআম, আয়াত: ৯০) কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: এরা হচ্ছে এমন সব লোক, যাদেরকে আল্লাহ হিদায়ত করেছেন। সুতরাং তাদেরই পথে চলো।
প্রসিদ্ধ মুফাসসিরে কুরআন, হাকিমুল উম্মত মুফতি আহমদ ইয়ার খান رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এই আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেন: অর্থাৎ হে মাহবুব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم! আমি পূর্ববর্তী আম্বিয়ায়ে কেরামদের عَلَیْهِمُ السَّلَام অনেক গুণাবলি ও পরিপূর্ণতা দান করেছিলাম, আপনি ঐসকল গুণাবলি ও পরিপূর্ণতার অধিকারি হয়ে যান যেসব গুণাবলি তাঁদের মধ্যে একটি করে, দুইটি করে ছিলো ঐসবকিছু আপনার মধ্যে রয়েছে, হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর পবিত্র জীবনী এই আয়াতের জ্বলন্ত ব্যাখ্যা। এরদ্বারা বোঝা গেলো; আল্লাহ পাক তাঁর মাহবুব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে গুণাবলির সমষ্টি করে বানিয়েছেন অর্থাৎ সমস্ত নবীদের গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্য তাঁর মধ্যে একত্রিত করেছেন। (তাফসীরে নঈমী, পারা: ৭, সূরা আনআম, আয়াতের পাদটিকা: ৯০, ৭/৬১৩-৬১৪ পৃ:)
মুহাম্মদ নাম ও আকিদায়ে খতমে নবুয়ত
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর প্রিয় নাম মুহাম্মদ সম্পর্কে ওলামায়ে কেরামগণ খুব সুন্দর একটি পয়েন্ট বর্ণনা করেছেন, বলেছেন: মুহাম্মদ শব্দটি حَمْد থেকে উৎপত্তি হয়েছে আর হামদ সর্বদা শেষে করা হয়ে থাকে, যেমন * আমরা খাবার খায় তো শেষে বলি: اَلْحَمْدُ لِلّٰه * যখন পানি পান করি শেষে বলি: اَلْحَمْدُ لِلّٰه এইভাবে যেকোন কাজ হোক, সেটা করার পর হামদ করে থাকি, এই পর্যন্ত যে আল্লাহ পাক জান্নাতবাসীদের ব্যাপারে বলেন:
وَ اٰخِرُ دَعْوٰىہُمْ اَنِ الْحَمْدُ لِلّٰہِ رَبِّ الْعٰلَمِیْنَ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami