Share this link via
Personality Websites!
কিন্তু উৎসর্গ হয়ে যান! আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর প্রিয় নাম হলো মুহাম্মদ, যাঁর অর্থ হলো: ঐ সত্তা যার ব্যস প্রশংসা আর প্রশংসাই করা হয়ে থাকে। উদ্দেশ্য এটা যে মুহাম্মদ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ঐ সত্তা যখন থেকে যমিন সৃষ্টি হয়েছে, যখন থেকে আসমান সৃষ্টি হয়েছে, যখন থেকে চাঁদ, তারকা, সূর্য সৃষ্টি হয়েছে, যখন থেকে মানুষ, জ্বিন ও ফেরেশতা সৃষ্টি হয়েছে, তার হাজার বছর পূর্বে থেকেও তাঁর প্রশংসা করা হচ্ছে আর কিয়ামত পর্যন্ত এইভাবে চলতে থাকবে, অর্থাৎ এটা ঐ সত্তা যাঁর প্রশংসার কোন শেষ নেই যেখানে প্রশংসার কোন শেষ নেই তো বোঝা গেলো তাঁর গুণাবলিরও কোন শেষেই নেই।
যদি সমুদ্রের পানি কলমের কালি হয় তবে...!!
আল্লাহ পাক কুরআনে করীমে ইরশাদ করেন:
قُلْ لَّوْ کَانَ الْبَحْرُ مِدَادًا لِّکَلِمٰتِ رَبِّیْ لَنَفِدَ الْبَحْرُ قَبْلَ اَنْ تَنْفَدَ کَلِمٰتُ رَبِّیْ وَ لَوْ جِئْنَا بِمِثْلِہٖ مَدَدًا
(পারা: ১৬, সূরা কাহাফ, আয়াত: ১০৯) কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: আপনি বলে দিন, যদি সমুদ্র আমার প্রতিপালকের বাণীসমূহ লেখার জন্য কালি হয়, তবে অবশ্যই সমুদ্র নিঃশেষ হয়ে যাবে আর আমার প্রতিপালকের বাণীসমূহ শেষ হবে না, যদিওবা আমি অনুরুপ আরো (সমুদ্র) এর সাহায্যার্থে নিয়ে আসি।
এই আয়াতে করীমায় کَلِمٰتُ শব্দটি দ্বারা উদ্দেশ্য কি, এই প্রসঙ্গে মুফাসসিরে কেরামদের বিভিন্ন অভিমত রয়েছে, শায়খ আব্দুল হক মুহাদ্দিস দেহলবি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: ইসলামী চিন্তাবিদ (Researchers) এর দৃষ্টিতে আল্লাহ পাকের বাণীর অংশবিশেষ کَلِمٰتُ শব্দটির দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আমাদের প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم, এখন আয়াতে করীমার অর্থ হবে যদি সমুদ্রের পানি কলমের কালি হয় আর সারা পৃথিবীর লিখার কলম নিয়ে সেই পানির মাধ্যমে প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর গুণাবলি লিখা শুরু করে, যদিওবা এই সমুদ্রের সমান পানি সেটাতে আরও যুক্ত করে, তারপরও সেই কালি (Ink) শেষ হয়ে যাবে কিন্তু রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্য শেষ হবে না।
(মাদারিজুন নবুয়ত, বাবুস সাওম, ১/৭৩ পৃ:)
মুহাম্মদ শব্দের সংখ্যার মধ্যে আশ্চর্যকর রহস্য
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! হয়তো আমরা সকলে জানি যে মুহাম্মদ শব্দের সংখ্যা কতো? ৯২। মনে রাখবেন! এই যে ৯২ সংখ্যা, এটা عِلْمِ اَبْجَد এর দৃষ্টিতে। সংখ্যা বের করার আরও একটি পদ্ধতি রয়েছে, যেটাকে عِلْمُ الْبَسْط বলা হয়, এটা অনুযায়ী মুহাম্মদ নামের সংখ্যা ৯২ নয় বরং ৩১৩ টি। (আল হাকিকাতুল মুহাম্মদিয়া, ৬৩২ পৃ:)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami