Share this link via
Personality Websites!
পাকের প্রিয় হাবিব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে মুহাম্মদ বানিয়েছেন, অর্থাৎ ঐ মহান ব্যক্তিত্ব যাঁর প্রতিটি মূহুর্ত, প্রতিটি সময়ে, প্রতিটি জায়গায়, যমিন ও আসমানের আয়তনের মধ্যে শুধু প্রশংসা আর প্রশংসা করা হয়, সুতরাং এই পবিত্র নাম মুবারক দ্বারা বোঝা গেলো যে মুহাম্মদ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ঐ মহান ব্যক্তিত্ব যিনি প্রত্যেক ত্রুটি থেকে পবিত্র।
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! ভেবে দেখুন! আল্লাহ পাকের প্রিয় মাহবুব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে কিরকম চমৎকার উপমাহীন নাম দ্বারা ধন্য করেছেন। রেওয়ায়েতের মধ্যে রয়েছে: কাফিরগণ যাদের গুণাবলি দেখা নসিবই হয় না, তারা শুধুমাত্র দোষ ত্রুটিই দেখতো, তারাও যখন হুযুর নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর ব্যাপারে কিছু মন্দ বলতে চাইতো সেই মহান সত্তার মধ্যে কোন দোষ ত্রুটি দেখতে পেতো না কিন্তু তারপরও তারা মন্দ থেকে বিরত রইলো না, সুতরাং যখন তারা مَعَاذَ الله রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর মন্দ বিষয়াদি বলতে চাইতো তখন বললো: মুহাম্মদ এমনই, মুহাম্মদ তেমনই। এখন তাদের নিজেদেরই লজ্জাবোধ হতো যে আমরা বলছি মুহাম্মদ (অর্থাৎ যার প্রশংসাই প্রশংসা করা হয়) মন্দ, সুতরাং তারা নিজেরাই নবীয়ে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর একটি কাল্পনিক নাম রাখলো, এখন তারা যখনই মন্দ করতে চাইতো তো বলতো: مُذَمَّمْ (অর্থাৎ যার মন্দই আর মন্দ করা হয়) সে এমনই। যখন তারা এই পদ্ধতি অবলম্বন করলো তো বুখারি শরীফের হাদিসে পাকে রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم বললেন: (হে আমার সাহাবারা!) তোমরা কি আশ্চর্য হও না যে আল্লাহ পাক আমাকে কিভাবে কাফেরদের গালি থেকে হেফাযত করেছেন, তারা مُذَمَّمْ কে গালমন্দ করে وَ اَنَا مُحَمَّد صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আর আমি مُذَمَّمْ নই বরং আমি তো মুহাম্মদ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم।
(বুখারি, কিতাবুল মানাকিব, মাজা আ ফি আসমায়ি রাসূলিল্লাহ, ৯০৩ পৃ:, হাদিস: ৩৫৩৩)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! অর্থের (Meaning) দিক দিয়ে খুবই সুন্দর নাম মুহাম্মদের আরও একটি বিশেষত্ব রয়েছে। মনযোগ দিন! যেই বান্দার বৈশিষ্ট্য সীমাবদ্ধ (Limited) থাকে, তার প্রশংসাও সীমাবদ্ধ হবে, যেমন এক বান্দার ১০০টি গুণ রয়েছে, এখন তার প্রশংসা করুন, একটি বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হলো, দ্বিতীয়টি বর্ণনা হলো, তৃতীয়টি বর্ণনা হলো, সর্বশেষ ১০০ টির ১০০ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হবে তো প্রশংসা শেষ হয়ে যাবে, এইভাবে কারো লক্ষ বৈশিষ্ট্য থাকে তো তার প্রশংসা করা শুরু হয় তো শেষ পর্যন্ত গিয়ে প্রশংসা শেষ হয়ে যাবে।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami