Share this link via
Personality Websites!
عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর আম্মাজান সায়্যিদা আমিনা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا ও স্বপ্ন দেখলেন: কেউ বলছিলো যে: হে আমিনা! আপনার নিকট এই উম্মতের সর্দার আগমণ করবে, যখন তাঁর বেলাদত হবে তাঁর নাম রাখবেন মুহাম্মদ। সুতরাং নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর শুভ বেলাদত হলো তো তাঁর নাম রাখা হলো মুহাম্মদ। (মাওয়াহিবুল লাদুনিয়া, আল মকসদুস সানী, ১/৩৬৪ পৃ:)
এসব বিষয়টি এই জাহিরি দুনিয়ার দিক দিয়ে নতুবা নবীয়ে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নাম মুবারক মুহাম্মদ কখন রাখা হয়েছিলো, এই বিষয়ে আল্লামা ইবনে জাওযি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ লিখেন: যখন আল্লাহ পাক তাঁর আপন নুর থেকে নুরে মুহাম্মদী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে সৃষ্টি করলেন তখন সেই নুরটি আল্লাহ পাকের দরবারে সিজদা করলেন, অতঃপর যখন সিজদা থেকে মাথা উঠালেন তো বললেন: اَلْحَمْدُ لِلّٰه (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ পাকের জন্য।) ঐসময় আল্লাহ পাক ইরশাদ করলেন: لِذٰلِکَ خَلَقْتُکَ وَ سَمَّیْتُکَ مُحَمَّدًا অর্থাৎ হে প্রিয় মাহবুব! আমি আপনাকে এজন্য বানিয়েছি আর আপনার নাম রেখেছি মুহাম্মদ। (শেহেদ ছে মিঠা নামে মুহাম্মদ, ২৮-২৯ পৃ:)
সিরাতে মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর অনেক নির্ভরযোগ্য কিতাব ‘রওদ্বুল উনফ’ এ রয়েছে: মুহাম্মদ নামের শাব্দিক অর্থ: الَّذِیْ یُحْمَدُ حَمْدًا بَعْدَ حَمْدٍ অর্থাৎ ঐ সত্তা যাঁর প্রশংসা বার বার করা হয়।
(আর রউদ্বুল উনফ, বেলাদতে রাসূলুল্লাহ, ৩১০ পৃ:)
سُبْحَانَ الله প্রতীয়মান হলো; হযরত মুহাম্মদ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সেই মহান সত্তা যাঁর প্রশংসা বার বার করা হয়, হাজারবার প্রশংসা করা হয় আর কখন থেকে এই প্রশংসা করা হচ্ছে? যখন থেকে তাঁর নাম মুবারক মুহাম্মদ রাখা হয়েছে, এই নাম মুবারক কখন থেকে রাখা হয়েছে? সমস্ত মাখলুকাতের সৃষ্টিরও হাজার বছর পূর্বে, এটা থেকে বোঝা যায় যখন যমিন ও আসমান, আরশ ও কুরসি, লাওহ ও কলম, জ্বিন, মানব এবং ফেরেশতা কিছুই ছিলো না, তখনো মুহাম্মদে মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর প্রশংসা করা হচ্ছিলো, এখনও এই প্রশংসা অব্যাহত রয়েছে এবং اِنْ شَآءَ الله কিয়ামত পর্যন্ত বরং কিয়ামতের পরে জান্নাতীরা জান্নাতে চলে যাবে, তখনও হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নাত তথা প্রশংসা অব্যাহত থাকবে।
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! এখানে একটি বিষয় চিন্তা করুন! উদাহরণস্বরুপ (For Example) যেই বান্দার হাজারো গুণাবলি রয়েছে, সাথে কিছু দোষ ত্রুটিও থাকে তবে তার শুধুমাত্র প্রশংসা করা হয় না কেননা যে ব্যক্তি তার গুণাবলির দিকে তাকাবে সে প্রশংসা করবে, যে তার দোষ ত্রুটির দিকে দেখবে সে তার মন্দ বিষয়াদি বর্ণনা করবে, এমন ব্যক্তি যার মধ্যে লক্ষাধিক যোগ্যতা (Qualities) থাকুক না কেনো যদি তার মধ্যে কিছু দোষ ত্রুটি থাকে তবে শুধুমাত্র তার প্রশংসা করা হবে না, তার মন্দ বিষয়াদিও বলা হয় কিন্তু উৎসর্গ হয়ে যান! আল্লাহ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami