Share this link via
Personality Websites!
হে আশিকানে
রাসূল! প্রতিটি কাজের পূর্বে ভালো ভালো নিয়্যত করার অভ্যাস গড়ে নিন কেননা ভালো
নিয়্যত বান্দাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেয়। বয়ান শ্রবণ করার পূর্বেও ভালো ভালো
নিয়্যত করে নিন!
যেমন
নিয়্যত করুন!
* ইলম অর্জন করার জন্য
সম্পূর্ণ বয়ান শুনবো
* আদব সহকারে বসবো * বয়ানের মাঝখানে
উদাসিনতা থেকে বেঁচে থাকবো * নিজের সংশোধনের জন্য বয়ান শ্রবণ করবো * যা শুনবো তা অন্যের
নিকট পৌঁছিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবো।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! রবিউল আউয়াল ইসলামী মাসের তৃতীয় মহান মাস। এই মাস ফযীলত, সৌভাগ্য, রহমত এবং আল্লাহ পাকের নেয়ামতের সমষ্টি। আশিকানে রাসূল এই মুবারক মাসকে মিলাদের মাস নামেও স্মরণ করে, কেননা ঐ পবিত্র সত্তা যাঁকে আল্লাহ পাক সমগ্র জগতের জন্য রহমত স্বরূপ পাঠিয়েছেন, যাঁর জন্য সমস্ত জগতকে সাজানো হয়েছে, সেই মহত্ববান নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এই মুবারক মাসেই দুনিয়ায় তাশরীফ নিয়ে আসেন। এই মাসের সকল ফযীলত, সৌভাগ্য ও বরকত নবীয়ে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র বিলাদতের সদকায় নসীব হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজকের বয়ানে আমরা এই মুবারক মাসের ফযীলত, বরকত, বুযুর্গানে দ্বীনদের رَحِمَہُمُ اللهُ المُبِيْن মিলাদ উদযাপনের ঘটনাবলী, এই মাসে কৃত নেক আমলের ব্যাপারে শুনবো এবং এটাও শুনবো যে, আমাদের এই মাস কিভাবে অতিবাহিত করা উচিত? আল্লাহ পাক আমাদেরকে সম্পূর্ণ বয়ান ভালো ভালো নিয়্যতে এবং পরিপূর্ণ মনযোগ সহকারে শুনার তৌফিক নসীব করুন। آمین
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! রবিউল আউয়াল মাসের এতো ফযীলত কেনো অর্জিত হলো, হযরত সায়্যিদুনা ইমাম যাকারিয়া বিন মাহমুদ কাযভীনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: এটি ঐ মুবারক মাস, যাতে আল্লাহ পাক তাঁর শেষ নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর বরকতময় সদকায় পৃথিবীবাসীর জন্য কল্যাণ ও সৌভাগ্যের দরজা খুলে দিয়েছেন, এই মাসের বার (১২) তারিখ প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র বিলাদত (জন্ম) হয়। (আজায়িবুল মাখলুকাত, ৬৮ পৃষ্ঠা)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! নিঃসন্দেহে যে সৌভাগ্য রবিউল আউয়াল মাসের অংশে এসেছে, তা অন্য কোন মাসের নসীব হয়নি। রবিউল আউয়ালের অর্থ কি, আসুন! শুনি:
“রবিই” বলা হয় “বসন্তকাল”কে অর্থাৎ শীত ও গরমের মধ্যবর্তী যে ঋতু হয়ে থাকে তাকে “রবিই” বলা হয়। আরবরা বসন্ত কালের শুরুর দিন গুলোকে “রবিউল আউয়াল” বলতো, এই ঋতুতে মাশরুম (বর্ষায় ভেজা কাঠের উপর ছাতার ন্যায় এক ধরনের ঘাস জন্মায়, একে উর্দূতে কুহম্বি বলে, আর বাংলায় মাশরুম বলে) এবং ফুল ফুটতো আর যখন ফল ধরতো তখনকার দিনগুলোকে “রবিউল আখির” বলতো। যখন মাস সমূহের নাম রাখা হলো তখন “সফর” এর পরের এই দু’টি ঋতুর নামানুসারে “রবিউল আউয়াল” ও “রবিউল আখির” নাম রাখা হলো।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami