Share this link via
Personality Websites!
কথাবার্তা বলার বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে, সুতরাং আল্লাহ
পাকের প্রিয় হাবিব
صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: “হে লোকেরা!
যিকরুল্লাহ ছাড়া অন্য বাক্য অধিকহারে বলো না! কেননা অধিকহারে কথাবার্তা বলা অন্তর কঠিন
হওয়ার কারণ এবং নিশ্চয় লোকদের মধ্যে আল্লাহ পাকের দূরবর্তী সেই, যার অন্তর
কঠিন হয়ে গেছে।” (তিরমিযী, কিতাবুয যুহুদ, ৪/১৮৪, হাদিস
২৪১৯)
(৩) অন্তরের কঠোরতার আরও একটি কারণ, অধিকহারে হাসা, হুযুরে আকরাম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: “অধিকহারে হাসিও না! কেননা অধিক হাসি অন্তরকে মৃত (অর্থাৎ কঠোর) বানিয়ে দেয়।” (ইবনে মাজাহ, কিতাবুয যুহুদ, ৪/৪৬৫, হাদিস ৪১৯৩) এবং অত্যাধিক হাসির ক্ষতি বর্ণনা করতে গিয়ে নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আরও ইরশাদ করেন: “অধিক হাসি থেকে বেঁচে থাকো কেননা হাসি চেহারার উজ্জলতা দূর করে দেয়।”
(আত তারগীব ওয়াত তারহিব, কিতাবুল আদাব, ৩/৩৪০, হাদিস নং: ২৭)
(৪) অন্তরের কঠোরতার চতুর্থ কারণ, আল্লাহ পাকের স্মরণ থেকে উদাসিন হওয়া কেননা প্রতিটি অন্তরের চারটি অবস্থা থাকে: (১) উচ্চতা (২) প্রশস্ততা (৩) হীনতা এবং (৪) কঠোরতা আর অন্তরের উচ্চতা যিকিরুল্লাহর মধ্যে, এর প্রশস্ততা আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি পাওয়ার মধ্যে, এর হীনতা আল্লাহ ছাড়া অন্যের প্রতি ব্যস্ত হওয়ার মধ্যে এবং এর কঠোরতা আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসিনতার মধ্যে। (শাহরায়ে আউলিয়া, ১০ পৃ:)
(৫) অন্তরের কঠোরতার আরও একটি কারণ, পেট ভরে খাওয়া, জি হ্যাঁ! পেট ভরে খাওয়াতে যেমনি ইবাদতে অলসতা এবং স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়, তেমনি এটার আরো একটি ক্ষতি হলো, পেট ভরে খাওয়াটা অন্তরকে কঠিন বানিয়ে দেয়, হযরত সায়িদুনা বিশর বিন হারেস رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: “যেই অভ্যাসগুলো অন্তরকে কঠিন বানিয়ে দেয়, তার মধ্যে অধিক আহার করারও অন্তর্ভূক্ত।” (হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৮/৩৯২) হযরত সায়িদুনা মারুফ কারখী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: “অধিক আহার অন্তর কঠোর হওয়ার কারণ।”
(হিকায়াতেঁ অউর নসিহতেঁ, ৩৫০ পৃ:)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী বোনেরা! মানুষ সর্বদা সেই বস্তু অর্জন করার চেষ্টায় থাকে, যাতে উপকারিতা দৃষ্টিগোচর হয়, আর সেই বস্তু যা ক্ষতির কারণ, সকল বিবেকবান মানুষ এমন বস্তু থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে। অন্তরের কঠোরতায়ও নিঃসন্দেহে কোন উপকারিতা নেই বরং শুধুই ক্ষতি আর ক্ষতি। যখন মানুষের অন্তর কঠিন হয়ে যায় তখন সে কি কি ক্ষতির সম্মুখিন হতে পারে? আসুন! এটাও শুনে নিই। যেমনটি
অন্তরের কঠোরতার একটি ক্ষতি হলো, মানুষ গুনাহে নির্ভীক হয়ে যায়, তার কবরের আতঙ্ক, কিয়ামতের ভয়, আখিরাতের হিসাব এবং জাহান্নামের আযাবের কোন পরওয়া থাকে না, সকল প্রকার উপদেশ থেকে উদাসিন হওয়ার পাশাপাশি এরূপ মানুষ নিঃশঙ্ক ও মুখে যা আসে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami