Share this link via
Personality Websites!
আদব সহকারে বসবো * বয়ান চলাকালীন উদাসীনতা থেকে বেঁচে থাকবো
* নিজের সংশোধনের জন্য বয়ান শুনবো * যা শুনবো অপরের
কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করবো।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! অন্তর কেন কঠোর হয়ে যায়? অন্তরের কঠোরতার কি কি ক্ষতি রয়েছে? এর চিকিৎসা কিভাবে সম্ভব? اِنْ شَآءَ الله আজকের বয়ানে আমরা এই সম্পর্কে বিভিন্ন মাদানী ফুল অর্জন করার চেষ্টা করবো, গভীর মনোযোগ সহকারে শ্রবন করার চেষ্টা করুন।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! অন্তরের কঠোরতা এমন একটি অভ্যন্তরীণ রোগ, যার কারণে অন্যায় ভাবে হত্যা এবং না জানি কি কি গুনাহ সংঘঠিত হয়ে যায়, অন্তরের কঠোরতা কি? আসুন শ্রবণ করি! যেমনটি;
তাফসীরে “সীরাতুল জিনান” ৪র্থ খন্ডের ৩৭০ পৃষ্ঠায় রয়েছে: অন্তরের কঠোরতার অর্থ হচ্ছে যে, মৃত্যু এবং পরকালকে স্মরণ না করার কারণে অন্তর এমন কঠোর হয়ে যায় যে, উপদেশ অন্তরে রেখাপাত করে না, গুনাহের প্রবণতা বেড়ে যায়, গুনাহ করতে লজ্জাবোধ হয় না এবং তাওবা করার প্রতি মনোযোগ থাকে না। (সীরাতুল জিনান, ৪/৩৭০পৃ:)
মনে রাখবেন! অন্তরের কঠোরতার রোগ কোন সাধারণ রোগ নয় বরং এটি এমন ক্ষতিকারক যে, কুরআনে পাকেও স্পষ্টভাবে পাষান হৃদয়ের লোকের তিরস্কারের বর্ণনা করা হয়েছে, যেমন- ১ম পারা, সুরা বাকারা, ৭৪ নং আয়াতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
ثُمَّ قَسَتْ قُلُوْبُکُمْ مِّنْۢ بَعْدِ ذٰلِکَ فَہِیَ کَالْحِجَارَۃِ اَوْ اَشَدُّ قَسْوَۃً ؕ
(পারা ১, বাকারা, আয়াত ৭৪) কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: অতঃপর, এরপর তোমাদের হৃদয় কঠিন হয়ে গেলো। তখন তা পাথর সমূহের ন্যায় হয়; বরং তদপেক্ষাও কঠিনতর।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! বর্ণনাকৃত আয়াতে মুবারাকায় যে কঠিন
হৃদয়ের লোকদের তিরস্কারের বর্ণনা করা হয়েছে, তা দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে বনী ইসরাঈলের
লোকদের,
যারা হযরত মুসা عَلَیْہِ السَّلَام এর যুগে ছিলো, তাদের সম্পর্কে
বর্ণনা করা হয়েছে, বড় বড় নিদর্শন এবং হযরত মুসা
عَلَیْہِ السَّلَام এর মুজিযা দেখেও তারা শিক্ষা গ্রহন করেনি, তাদের অন্তর
পাথরের মতো হয়ে গিয়েছিলো বরং তার চেয়েও বেশি কঠিন, কেননা পাথরেও প্রভাব
বিস্তার করে যে, এদের কোন কোনটি থেকে নদী প্রবাহিত হয়, কোন কোন পাথর ফেটে
যায় তখন তা থেকে পানি প্রবাহিত হয় এবং কোনটি খোদাভীতিতে গড়িয়ে পড়ে, আল্লাহ
পাকের যেমন ইচ্ছা, কিন্তু মানুষ! যাকে অধিকহারে বোধশক্তি ও বিবেচনা করার জ্ঞান দেয়া হয়েছে, যারা ইন্দ্রিয়
ক্ষমতাবান, জ্ঞানে পরিপূর্ণ, যাদের সম্মুখে দলীলাদি দৃশ্যমান এবং শিক্ষা
ও নসিহত অর্জনের সুযোগ রয়েছে কিন্তু তারপরও আল্লাহ পাকের আনুগত্য ও উপাসনার দিকে আসে
না। (সীরাতুল জিনান, পারা: ১, ১/১৪৬)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami