Share this link via
Personality Websites!
যদি আমরা মুখে ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর ভালোবাসার দাবী করি কিন্তু ইমামে আলী মকাম, ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর মুবারক জীবনীকে অবলম্বন না করি তবে আমাদের ভালোবাসা অসম্পূর্ণ, কেননা প্রেমিক তার প্রিয়জনের পিছনে পিছনেই চলে। হযরত ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ তাঁর মুবারক চেহারা তাঁর নানাজান প্রিয় আক্বা, মাদানী মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর প্রিয় সুন্নাত দাড়ি শরীফ দ্বারা সুশোভিত করেছিলেন, তাঁর আব্বাজান মাওলা মুশকিল কোশা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এরও ঘন দাড়ি শরীফ ছিল। আমরা ভাবী যে, আমাদের চেহারায় রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর এই সুন্নাতটি কি আছে? ইমামে আলী মকাম, ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ তাঁর মুবারক জীবনের শেষ ফজরের নামায নিজের তাঁবুতে জামাআত সহকারে আদায় করেছেন অথচ শত্রু রা চারপাশে বিদ্যামান ছিল। পবিত্র আহলে বাইত عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان এর আসল ভালোবাসার হলো তাঁদের অনুসরণেই, ইমামে আলী মকাম, ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর মুবারক জীবন থেকে আমরা এই শিক্ষা পাই যে, আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামাআত সহকারে আদায় করা উচিত এবং সময় এলে দ্বীনের জন্য সব ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকা উচিত। আল্লাহ পাক আমাদেরকে সাহাবায়ে কিরাম ও আহলে বাইত عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان এর প্রকৃত ভালোবাসা নসীব করুন।
اٰمین بِجاہِ خاتَمِْالنَّبِیّٖن صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ক্ষমা প্রদর্শনকারী ছিলেন
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা!
ইমামে আলী মকাম, ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ
عَنْہُ এর
একটি সুন্দর অভ্যাস এটাও ছিল; যে
তাকে কষ্ট দিত, তিনি তাকে ক্ষমা করে দিতেন। যেমনটি ই’সাম বিন মুস্তালিক
যে মাওলায়ে কায়েনাত,
মাওলা আলী
رَضِیَ
اللهُ عَنْہُ এর
প্রতি বিদ্ধেষ পোষণ করতো,
একবার সে
ইমামে আলী মকাম, ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ
عَنْہُ এর
সামনে তাঁর পিতা মাওলা আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে গালমন্দ করতে করা শুরু করলো, এতে ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ
عَنْہُ তাকে
কিছুই বলেননি, কোনো প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপও
নেননি, বরং اَعُوْذُ بِاللهِ
مِنَ الشَّیْطٰنِ الرَّجِیْمِط এবং
بِسْمِ
اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِط পাঠ করে এই আয়াত তিলাওয়াত করলেন:
خُذِ الْعَفْوَ وَ اْمُرْ بِالْعُرْفِ وَ اَعْرِضْ عَنِ الْجٰہِلِیْنَ (۱۹۹) وَ اِمَّا یَنْزَغَنَّکَ مِنَ الشَّیْطٰنِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللّٰہِ ؕ اِنَّہٗ سَمِیْعٌ عَلِیْمٌ (۲۰۰) اِنَّ الَّذِیْنَ اتَّقَوْا اِذَا مَسَّہُمْ طٰٓئِفٌ مِّنَ الشَّیْطٰنِ تَذَکَّرُوْا فَاِذَا ھُمْ مُّبْصِرُوْنَ (۲۰۱)ۚ
(পারা ৯, সূরা আ’রাফ, আয়াত ১৯৯-২০১) কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: হে মাহবুব! ক্ষমাপরায়ণতা অবলম্বন করুন, সৎকর্মের নির্দেশ দিন এবং মূর্খদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। এবং হে শ্রোতা! যদি শয়তান তোমাকে কোন কুমন্ত্রণা দেয়, তবে আল্লাহর আশ্রয় চাইবে। নিঃসন্দেহে তিনি শ্রোতা, জ্ঞাতা। নিশ্চয় ঐসব লোক, যারা তাকওয়ার অধিকারী হয়, যখনই তাদেরকে কোন
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami