Share this link via
Personality Websites!
আমাদেরও যেনো কাবা শরীফের যিয়ারত করা, কাবার গিলাফের সাথে জড়িয়ে থাকা, হাতীমে পাকে নামায আদায় করা, হাজরে আসওয়াদকে চুমু দেয়া এবং হায়! আনন্দচিত্তে কাবা শরীফের তাওয়াফ করা নসীব হয়ে যায়। اٰمین بِجاہِ خاتَمِْالنَّبِیّٖن صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
১২টি দ্বীনি কাজের মধ্যে একটি দ্বীনি কাজ:
* রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: اَلْعِلْمُ بِالتَّعَلُّمِ জ্ঞান শিখার মাধ্যমে আসে। (বুখারী, ৯০ পৃষ্ঠা, হাদীস ৬৭) * বর্তমানকার খারাপ কাজের মধ্যে একটি হলো; মানুষ ইলমে দ্বীন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে * দ্বীনি কিতাব পড়ার আগ্রহ না থাকার সমান * পূর্বেকার লোকেরা দ্বীনি কিতাবের প্রতি অত্যধিক আগ্রহ রাখতো * দিন রাত কিতাব পড়তো * অতএব তাদের নিকট দ্বীনি জ্ঞানও বেশি থাকাতো আর * জীবনও পবিত্র পরিচ্ছন্ন থাকতো।
* اَلْحَمْدُ لِلّٰه আশিকানে রাসূলের দ্বীনি সংগঠন দাওয়াতে ইসলামী ঘরে ঘরে ইলমে দ্বীনের আলো পৌঁছে দিচ্ছে * দাওয়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা শায়খে তরীকত, আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ এর বিশেষত্ব হলো যে, তিনি নিজেও ইলমে দ্বীনের খবুই আগ্রহী এবং আশিকানে রাসূলকেও দ্বীনি কিতাব পড়ার আগ্রহ প্রদান করেন * তিনি প্রতি সপ্তাহে একটি দ্বীনি পুস্তিকা পড়ার জন্য বলে থাকেন * সংক্ষিপ্ত একটি পুস্তিকা হয়ে থাকে * কয়েক মিনিটেই পড়া যায়।
* আপনারাও পড়ুন!
اِنْ شَآءَ الله অনেক উপকার হবে * দ্বীনি জ্ঞান
বৃদ্ধি পাবে * ইলমে দ্বীন শিখার সাওয়াব অর্জিত হবে * দ্বীনি কিতাব পড়াতে
মেধাও বৃদ্ধি পায় * দৃষ্টিশক্তি প্রসারিত হয় * হিকমত অর্জিত হয় * চিন্তাভাবনা
পবিত্র হয় এবং * জীবনে পরিচ্ছন্নতা এসে যায়
* আধুনিক বিজ্ঞানের
গবেষণা অনুযায়ী কিতাব অধ্যয়নে মানসিক রোগ থেকে নিরাপত্তা লাভ হয়।
প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত সাপ্তাহিক পুস্তিকা পড়ার নিয়্যত করে নিন! শায়খে তরীকত, আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ সাপ্তাহিক পুস্তিকা পাঠকারীকে বিভিন্ন দোয়াও দিয়ে থাকেন, আমরা সাপ্তাহিক পুস্তিকা পাঠ করলে তবে হয়তো আল্লাহ পাকের নেককার বান্দা, কামিল ওলীর মুখ থেকে বের হওয়া দোয়া আমাদের হকে কবুল হয়ে যাবে আর দুনিয়া ও আখিরাতের তরী পার হয়ে যাবে।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! ঝগড়া বিবাদ করা এমন ধ্বংসময় যে, এতে লিপ্ত হয়ে মানুষ দুনিয়াতেই শিক্ষণীয় হয়ে যায়। উৎসর্গিত হয়ে যান! দাওয়াতে ইসলামীর দ্বীনি পরিবেশের প্রতি, যা এই স্পর্শকাতর যুগেও মুসলমানদেরকে ঝগড়া বিবাদ থেকে দূরে রাখতে এবং তাদেরকে একতাবদ্ধ রাখার জন্য সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। যার একটি স্পষ্ট ঝলক হলো দাওয়াতে ইসলামীর অধিনে প্রতিষ্ঠিত “ভালবাসা বাড়াও বিভাগ”। “নেক আমল নাম্বার ৬৫” কে রীতিমতো সাংগঠনিক ভাবে কার্যকরী করে ঐ সকল পুরোনো ইসলামী ভাই, যারা পূর্বে আসতো কিন্তু এখন
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami