Share this link via
Personality Websites!
আদব সহকারে বসবো * বয়ান চলাকালীন উদাসীনতা থেকে বেঁচে থাকবো
* নিজের সংশোধনের জন্য বয়ান শুনবো * যা শুনবো অপরের কাছে পৌঁছানোর
চেষ্টা করবো।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! নিঃসন্দেহে প্রতিটি ব্যক্তি তার শত্রুকে ঘৃণা করে এবং তার অনিষ্টতা থেকে বাঁচার চেষ্টা করে থাকে, শত্রু যতবেশি শক্তিশালী, তার থেকে নিরাপত্তার বিষয়ে ততবেশি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়, ততবেশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। মনে রাখবেন! মানুষের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে ভয়ঙ্কর শত্রু হলো শয়তান, আউলিয়ায়ে কিরাম رَحِمَہُمُ اللهُ السَّلَام থেকে শুরু করে সাধারন মানুষ পর্যন্ত শয়তান সবার সাথেই শত্রুতা পোষন করে এবং তাদেরকে পথভ্রষ্ট করার জন্য বিভিন্ন তালবাহানা করে থাকে, আল্লাহ পাক কোরআনে করীমের বিভিন্ন স্থানে শয়তানের পরিচয় দিয়েছেন। আজকের বয়ানে “মানুষের সাথে শয়তানের শত্রুতা” সম্পর্কে আয়াত, হাদীসে মুবারাক, বুযুর্গানে দ্বীনদের رَحِمَہُمُ اللهُ المُبِيْن ঘটনাবলী এবং শয়তানের আক্রমনকে প্রতিহত করার পদ্ধতিও শ্রবন করবো। আহ! যদি সম্পূর্ণ বয়ান ভাল ভাল নিয়্যত সহকারে পরিপূর্ণ মনযোগ সহকারে শ্রবণ করা নসীব হয়ে যায়। আসুন! সর্বপ্রথম শয়তানের মানুষের সাথে শত্রুতার একটি ঘটনা শ্রবণ করি:
অভিশপ্ত শয়তানের অনিষ্টতা থেকে নিরাপত্তা লাভ
একবার ওলীদের সর্দার হুযুর গউসে পাক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ সফররত ছিলেন, সফরকালে কিছুদিন তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এমন এক স্থানে অবস্থান করেন, যেখানে পানি ছিলো না, যখন গউসে পাক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর প্রচন্ড পিপাসা অনুভব হলো, তখন বৃষ্টি হতে লাগলো, যাতে তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ পিপাসা নিবারন করলেন, অতঃপর তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ আকাশে একটি নূর দেখলেন, যার মাধ্যমে একটি প্রান্ত আলোকিত হয়ে গেলো এবং একটি আকৃতি প্রকাশ পেলো, যা থেকে এই আওয়াজ আসলো: “হে আব্দুল কাদির! আমিই তোমার প্রতিপালক এবং আমি তোমার জন্য হারাম বস্তুকে হালাল করে দিলাম!” একথা শুনে তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ;اَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّیْطٰنِ الرَّجِیْمِ পাঠ করে বললেন: “হে অভিশপ্ত শয়তান! দূর হয়ে যা।” তখন আলোকিত অংশটি অন্ধকারে রূপান্তরিত হলো এবং সেই আকৃতি ধোঁয়া হয়ে গেলো। অতঃপর শয়তান এভাবে আক্রমন করলো: “হে আব্দুল কাদির! তুমি আমার থেকে নিজের জ্ঞান, আপন দয়ালূ রবের হুকুম এবং নিজের মর্যাদাময় জ্ঞানবুদ্ধির মাধ্যমে মুক্তি পেয়ে গেলে আর আমি এভাবে (৭০) সত্তরজন বুযুর্গকে পথভ্রষ্ট করেছি।” মানুষের শত্রুর এই আক্রমনকেও আমাদের গউসে পাক رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এই বলে বিফল করে দিলেন: “এটা শুধুই আমার দয়ালূ রবের দয়া ও অনুগ্রহ।” যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আপনি কিভাবে বুঝলেন যে, সে শয়তান ছিলো? তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বললেন: তার এই কথায় যে, “নিশ্চয় আমি তোমার জন্য হারাম জিনিসকে হালাল করে দিয়েছি।” (গাউসে পাক কে হালাত, ৬৫ পৃষ্ঠা)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami