Share this link via
Personality Websites!
প্রশ্ন জাগে যে, আমাদের বুযুর্গানে দ্বীন দৈনিক দশ (১০) হাজার বার করে বরং চল্লিশ (৪০) হাজার বার করে দরূদ শরীফ কীভাবে পড়তেন? তাঁদের অন্যান্য ইবাদত ও ঘরোয়া জীবিকার বিষয়াদি, অতঃপর সুন্নাতের প্রচার এবং পানাহার ও বিশ্রাম ইত্যাদির জন্য কিভাবে সময় পেতেন? এর উত্তর হলো: বুযুর্গানে দ্বীন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِمْ اَجْمَعِیْن দুনিয়ার ভালোবাসায় বন্দী ছিলেন না এবং সময় নষ্ট করা তাঁদের অভ্যাস ছিল না, এভাবে তাঁদের প্রয়োজনীয় কাজ যথা- পানাহার ও হালাল উপার্জনের পরেও যথেষ্ট সময় থাকতো যা তাঁরা যিকির ও দরূদ শরীফ পাঠ করে অতিবাহিত করতেন। আর অনেক লোক শয়তানের ধোঁকায় পড়ে এ অল্প দিনের জীবনকেই সবকিছু মনে করে বসেছে এবং প্রতিটি মুহূর্ত প্রতিটি সময় এ নশ্বর পৃথিবীর আরাম ও আয়েশে হারিয়ে গেছে। আফসোস! কবরের দীর্ঘ জীবন ও আখিরাতের তিক্ত ও অত্যন্ত কঠিন মঞ্জিলের দিকে আমাদের মোটেও মনযোগ নেই। বুযুর্গানে দ্বীন ও আউলিয়ায়ে কামেলীনদের নিকট এ বিষয়ে পূর্ণ অনুভূতি থাকতো যে, এখানকার জীবন অল্প দিনের। এটা দেখতে দেখতেই শেষ হয়ে যাবে। যা কিছু রয়েছে সেটা মৃত্যুর পরবর্তী স্থায়ী জীবন। اَلْحَمْدُ لِلّٰه এ আল্লাহ্ ওয়ালারা নিজের জীবন ইসলামের পবিত্র নীতিমালা ও প্রিয় মাহবুব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم'র সুন্নাতের উপর আমল করে ও তাঁর পবিত্র সত্তার উপর দরূদ শরীফ পাঠ করার মাধ্যমে অতিবাহিত করতেন তাই আমাদের প্রিয় নবী হুযুর পূরনূর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ও বিপদে আপদে তাঁদেরকে একা ছেড়ে দিতেন না বরং বিপদের সময় এসে তাঁদের সাহায্য করতেন। আসুন এ ব্যাপারে ঈমান সতেজকারী ঘটনা শ্রবণ করি, যেমনিভাবে
জাহাজ ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পেলো
হযরত শায়খ মুসা যরীর رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আমি একটি কাফেলার সাথে সমুদ্র পথে জাহাজে করে সফর করছিলাম, হঠাৎ জাহাজ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়লো। এ ঘুর্ণিঝড় আল্লাহ্ পাকের গযব হয়ে জাহাজটিকে নড়াতে লাগলো, আমরা নিশ্চিত হয়ে গেলাম যে, অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে জাহাজটি ডুবে যাবে এবং আমরা সকলে মৃত্যুর মুখে পতিত হবো। এমন সময় আমার তন্দ্রাভাব এলো এবং কিছু সময়ের জন্য আমার উপর নিদ্রা এসে পড়লো, কি দেখলাম! স্বপ্নে রহমতে আলম, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাশরিফ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami