Share this link via
Personality Websites!
আমায় সেই আয়াতে মোবারকা দান করা হয়েছে, যা আমার নিকট দুনিয়া এবং যা কিছু এতে রয়েছে তা থেকে অধিক প্রিয়।" (রূহুল বয়ান, পারা ২২, সূরা আহযাব, আয়াত ৫৬, ৭/২২৩)
হাকীমুল উম্মত, হযরত মুফতী আহমদ ইয়ার খাঁন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: এ আয়াতে মোবারকা নবী করীম, রউফুর রহীম, হুযুর পুরনূর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র সরাসরি প্রশংসা। এতে ঈমানদারদেরকে প্রিয় মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র উপর দরূদ ও সালাম পেশ করার আদেশ প্রদান করা হয়েছে। আনন্দের ব্যাপার হলো যে, আল্লাহ পাক কোরআনে পাকে যথেষ্ট বিধানাবলী (Orders) বর্ণনা করেছেন, যেমন- নামায, রোযা, হজ্ব ইত্যাদি কিন্তু কোথাও এটা বলেননি যে, এ কাজটি আমিও করি, আমার ফেরেশতারাও করে এবং ঈমানদারগণ তোমরাও করো। শুধুমাত্র দরূদ শরীফের জন্যই এমন বলা হয়েছে, এর কারণ একেবারে পরিষ্কার কেননা কোন কাজই এমন নেই, যা আল্লাহ পাকেরও হবে এবং বান্দাদেরও হবে। অবশ্যই আল্লাহ পাকের কাজ আমরা করতে পারি না এবং আমাদের কাজ থেকে আল্লাহ পাক অনেক ঊর্ধ্বে। যদি কোন কাজ এমন থাকে যা আল্লাহ পাকও করেন, ফেরেশতারাও করেন এবং মুসলমানদেরকেও সেটার হুকুম দেয়া হয়েছে, তবে সেটা হলো একমাত্র প্রিয় রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم 'র উপর দরূদ প্রেরণ করা। যেভাবে ঈদের নতুন চাঁদের উপর সকলের দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়, সেভাবে মদীনার চাঁদের উপর সকল সৃষ্টির এবং সৃষ্টিকর্তারও দৃষ্টি রয়েছে। (শানে হাবীবুর রহমান, ১৮৩ পৃষ্ঠা)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এখানে এ বিষয়টি মনে রাখবেন (Memoriæe) যে, যদিও একই শব্দের সম্পর্ক আল্লাহ পাক, ফিরিশতা এবং মু'মিনদের দিকে করা হয়েছে, কিন্তু যার দিকে সম্পর্ক করা হয়েছে তার হিসেবে অর্থ ভিন্ন।
ইমাম বাগভী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আল্লাহ পাকের দরূদ হলো; রহমত নাযিল (বর্ষণ) করা, অন্যদিকে আমাদের দরূদ দ্বারা উদ্দেশ্য রহমতের দোয়া করা। (শরহুস সুন্নাহ, কিতাবুস সালাত, বাবুস সালাত আলান নবী, ২/২৮০) এখানে একটি প্রশ্ন জাগে যে, যখন আল্লাহ পাক স্বয়ং প্রিয় হাবীব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم 'র উপর রহমত অবতীর্ণ করছেন, তখন আমাদেরকে কেন দরূদ শরীফ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami