Share this link via
Personality Websites!
الصَّلُوةِ عَلَى النَّبِي অর্থাৎ তাঁর এ আমল ছিলো যে, তিনি সর্বদা আল্লাহ পাকের যিকির করার সাথে সাথে দরূদ শরীফও অধিক হারে পাঠ করতেন।"
(সাআদাতুদ দারাঈন, আল বাবুর রাবে, লতীফা নং: ৯৭, ১৫২ পৃষ্ঠা)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
হে আশিকানে রাসূল! আপনারা শুনলেন তো! অধিক পরিমাণে দরূদ শরীফ পাঠ করা কত উত্তম আমল যে, এর বরকতে মানুষের চোখের সামনে জাহান্নাম থেকে মুক্তির ছাড়পত্র এসে গেলো। যারা নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم 'র উপর দরূদ শরীফ পাঠ করার এ বরকত নিজের চোখে দেখেছেন, তাদেরও হয়তো দরূদ ও সালাম পাঠ করার মন-মানসিকতা তৈরী হয়েছে। আমাদেরও উচিত, উঠতে-বসতে, চলতে-ফিরতে সর্বদা আপন প্রিয় হাবীব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم 'র উপর বেশি পরিমাণে দরূদ শরীফ পাঠ করার অভ্যাস গড়ে তোলা। দরূদ ও সালামের ফযীলতের উপর অসংখ্য কিতাব রচিত হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে ওলামায়ে কিরামও এর ফযীলত ও উপকারীতা বয়ান করতে থাকেন। স্মরণ রাখবেন! কলমের কালি শেষ হতে পারে, বয়ানের শব্দাবলী (Words)ও শেষ হতে পারে, কিন্তু হুযুর পূরনূর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم'র উপর দরূদ ও সালামের ফযীলত যথাযথ বর্ণনা করা সম্ভব নয় কেননা, দরূদ শরীফ এমন একটি আমল, স্বয়ং আল্লাহ পাক এবং তাঁর ফেরেশতারাও এ আমল করে থাকেন। সুতরাং ২২ পারার সূরা আহযাব-এর ৫৬নং আয়াতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
إِنَّ اللَّهَ وملائكته يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّواعَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
(পারা: ২২, সূরা: আহযাব, আয়াত: ৫৬)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: নিশ্চয় আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ দরূদ প্রেরণ করেন ঐ অদৃশ্য বক্তা (নবী)র প্রতি, হে ঈমানদারগণ! তাঁর প্রতি দরূদ ও খুব সালাম প্রেরণ করো।
তাফসীরে রূহুল বয়ানে বর্ণিত রয়েছে; এ আয়াতে মোবারকা অবতীর্ণ হওয়ার পর আল্লাহ পাকের প্রিয় মাহবুব, হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم'র নূরানী চেহারা আনন্দে নূরের কিরণ বন্টন করতে লাগলো এবং ইরশাদ করলেন: "আমাকে মোবারকবাদ পেশ করো, কেননা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami