Share this link via
Personality Websites!
নিন, যেমন; নিয়্যত করুন, * ইলমে দ্বীন শেখার জন্য সম্পূর্ণ বয়ান শুনবো * আদব সহকারে
বসবো * বয়ান চলাকালীন উদাসীনতা থেকে বেঁচে থাকবো
* নিজের সংশোধনের জন্য বয়ান শুনবো * যা শুনবো অপরের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করবো।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
অনেক বড় ও প্রসিদ্ধ একজন আল্লাহর ওয়ালী ছিলেন হযরত ইবরাহীম বিন আদহাম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ। তিনি তাঁর জীবনের বড় একটি অংশ সফরে কাটিয়েছেন। তিনি বলেন, একবার আমি বায়তুল মুক্বাদ্দাসে (অর্থাৎ মসজিদে আকসায়) রাত কাটালাম। আমি দেখলাম রাতের কোনো এক প্রহরে সেখানে দু’জন ফেরেশতা এলো। তাঁদের মধ্যে এক ফেরেশতা অপরজনকে বললো, এই মানুষটি কে? অপরজন বললো, ইনি ইবরাহীম বিন আদহাম। প্রথম ফেরেশতা বললো,সেই ইবরাহীম বিন আদহাম! তাঁকে তো এখন তাঁর মর্যাদা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপর ফেরেশতা জিজ্ঞাসা করলো, কি কারণে? প্রথম ফেরেশতা বললো, ইবরাহীম বিন আদহাম বসরায় ছিলেন। একবার তিনি এক দোকান থেকে খেজুর কিনলেন। যখন তিনি খেজুর নিয়ে যেতে লাগলেন তখন দেখলেন একটি খেজুর নিচে পড়ে আছে। তিনি ভাবলেন যে, এটা হয়তো আমার খেজুর পড়ে গেছে। অতএব তিনি সেই খেজুর তুলে খেয়ে ফেললেন। যেহেতু খেজুরটি তাঁর নয় বরং দোকানদারের ছিলো আর তিনি অন্যের খেজুর খেয়ে ফেলেছিলেন, তাই আল্লাহ পাক তাঁর মর্যাদা থেকে তাঁকে অপসারণ করে দিয়েছেন।
হযরত ইবরাহীম বিন আদহাম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন, আমি ফেরেশতাদের এই কথাবার্তা শোনামাত্রই বসরা পৌঁছলাম। সেই দোকানদারকে তার খেজুর ফিরিয়ে দিলাম এবং ফিরে এলাম। রাত হলে আবারো আমি দু’জন ফেরেশতা দেখলাম; তাঁরা পরস্পর কথা বলছিলো। তাদের একজন অপরজনকে বললো, এই হলেন সেই ইবরাহীম বিন আদহাম, যিনি খেজুরের মালিককে খেজুর ফিরিয়ে দিয়েছেন। সুতরাং আল্লাহ পাক আবারো তাঁকে তাঁর পূর্বের মর্যাদা দান করেছেন।
(তাফসীরে রুহুল বায়ান, পারা ৪, সূরা আলে ইমরান, ১৭৯ নং আয়াতের পাদটিকা, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৩৬)
আল্লাহর রহমত তাঁর উপর বর্ষিত হোক এবং তাঁর সদকায় আমাদের বিনা হিসেবে ক্ষমা হোক। اٰمین بِجاہِ خاتَمِْالنَّبِیّٖیْن صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
আউলিয়া কিরামের উপর আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা, আউলিয়ায়ে কিরামের কতইনা অনন্য শান! এই মহান মর্যাদার অধিকারী ব্যক্তিগণ গুনাহ থেকে মা’সূম (নিষ্পাপ) নন তবে মাহফূয (সুরক্ষিত) থাকেন। মা’সূম শুধুমাত্র সম্মানিত নবীগণ এবং ফেরেশতাগণ। আউলিয়া কিরাম মা’সূম নন। তাঁদের থেকে গুনাহ প্রকাশ পেতে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami