Share this link via
Personality Websites!
মুত্তালিবের নামটি খুব পছন্দ করি, তাই তোমার সন্তানের নাম এটাই রাখো। (মুস্তাদরাক খন্ড ৪/২০০, হাদীস নং: ৪৯৪০)
হযরত আমীর হামযার رَضِیَ اللهُ عَنْہُ শাহাদাত:
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! ১৫ই শাওয়াল-উল-মুকাররম ৩ হিজরীতে হক বাতিলের এক মহাযুদ্ধ সংঘটিত হয়, যাকে বলা হয় উহুদের যুদ্ধ। উহুদ যুদ্ধে হযরত আমীর হামযা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ও অংশগ্রহণ করেন, তিনি খুব সাহসীকতার সাথে যুদ্ধ করেন, অবশেষে শাহাদাতের উচ্চ পদে সমাসীন হোন, শাহাদাতের সময় তাঁর বয়স ছিলো ৫৪ বছর।
(মারেফাতুস সাহাবা, ২/১৭)
আমীর হামযার শাহাদাতে নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ব্যথিত:
বর্ননায় রয়েছে, প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তার চাচাজান হযরত আমীর হামযা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর লাশের কাছে দাঁড়িয়ে বললেন, “হে হামযা, হে আল্লাহর রাসুলের চাচাজান! এবং আল্লাহ ও রাসুলের সিংহ! হে হামজা, হে সৎকর্মে অগ্রগামী! হে হামজা! হে শোক ও দুঃখ দূরকারী, হে হামজা! হে আল্লাহর রাসূল (صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم) হতে শত্রুদের তাড়ানো ব্যক্তি!
(যাখায়িরুল উকবা, ৩০৬ পৃষ্ঠা)
এক বর্ণনায় রয়েছে, রাসুলুল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন, “চাচাজান আল্লাহ পাক আপনার প্রতি দয়া করুন, আপনি অনেক আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষাকারী, সৎকর্মে অনেক বেশি অগ্রগামী।
(মারেফাতুস সাহাবা, ২/২২)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami