Share this link via
Personality Websites!
ইমাম ইবনে সিরীন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর তাকওয়া
ইমাম ইবনে সিরীন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ তার যুগের অনেক বড় ইমাম ছিলেন, আল্লাহ পাক তাঁকে স্বপ্নের ব্যাখ্যার জ্ঞানে অসাধারণ দক্ষতা দান করেছিলেন। ইমাম কুশাইরী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ লিখেন: ইমাম ইবনে সিরীন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর নিকট ঘি এর ৪০টি পাত্র (অর্থাৎ টিনের এক ধরনের চারকোনা পাত্র যাতে বর্তমানে ঘি তেল ইত্যাদি এসে থাকে) ছিলো, তাঁকে খাদেম বললো: এই পাত্র গুলোর মধ্যে একটি থেকে মৃত ইঁদুর বের হয়ে এসেছে কিন্তু আমি জানিনা যে, সেই পাত্র কোনটি।
এখন দেখুন! সন্দেহ সৃষ্টি হয়ে গেলো, ৪০টির মধ্যে ৩৯টি সম্পূর্ণ পবিত্র, মৃত ইঁদুর শুধু একটিতে পাওয়া গেছে, কিন্তু এটা জানা নেই যে, সেই একটি পাত্র কোনটি, অতএব অবশিষ্ট ৩৯টির প্রতিও সন্দেহ এসে গেলো, ব্যস এই সন্দেহের কারণে ইমা ইবনে সিরীন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ৪০টি পাত্রের কোন একটিরও ঘি ব্যবহার করেননি। (রিসালায়ে কুশাইরীয়া, তাকওয়ার বর্ণনা, ১৪৩ পৃষ্ঠা) কেনো ব্যবহার করেননি? حَذْراً لِمَا بِہِ الْبَاْسُ অথার্ৎ এই ভয়ে যে, আমি নাজায়িয কাজে যেনো পতিত হয়ে যাই, এমন যেনো না হয় যে, আমি যেই পাত্র থেকে ঘি ব্যবহার করবো, এটি সেটি ছিলো, যা থেকে ইঁদুর বের হয়েছিলো।
এটাই হলো তাকওয়াবানগণের উন্নত গুণ, এই পবিত্র মনিষীগণ আল্লাহ পাককে খুব বেশি ভয় করে থাকে, খোদাভীতির কারণে গুনাহের কাছেও যেতেন না, এমনকি এমন জায়িয কাজ যা করার কারণে গুনাহে পড়ে যাওয়ার ভয় রয়েছে, সেই জায়িয কাজ থেকেও দূরে থাকতেন।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami