Share this link via
Personality Websites!
গাযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ লিখেন: কারো প্রিয়জন ইন্তিকাল করলো তখন সে তার দাফনের পর কবরে একটি শিক্ষণীয় পংক্তি লিখলো:
لَیْسَ زَاد سِوَی التُّقَا فَخُذِیْ مِنْہُ اَوْ دُعِی
এই সফরের পাথেয় শুধু তাকওয়া, এখন তোমার ইচ্ছা তাকওয়া অবলম্বন করো বা না করো! (মিনহাজুল আবেদীন, ১২০ পৃষ্ঠা)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে তাকওয়ার মহা মূল্যবান সম্পদ নসীব করুন। আমরা কিভাবে তাকওয়া অর্জন করবো? এর জন্য আসুন! তাকওয়াবানগণের কিছু গুণাবলী এই নিয়্যতে শ্রবণ করি, যেনো আমরাও এই মহান গুণাবলী অবলম্বন করে মুত্তাকী হওয়ার চেষ্টা করবো। اِنْ شَآءَ الله
(১) তাকওয়াবানগণের প্রথম গুণ: সন্দেহ যুক্ত বিষয় এড়িয়ে চলা
আল্লাহ পাকের সর্বশেষ নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: لَا یَبْلُغُ الْعَبْدُ اَنْ یَّکُوْنَ مِنَ الْمُتَّقِیْن حَتّٰی یَدَعَ مَا لَابَاْسَ بِہٖ حَذْراً لِمَا بِہِ الْبَاْسُ অর্থাৎ বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত মুত্তাকী হতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত নাজায়িযের মধ্যে পড়ার ভয়ে জায়িয কাজও ছেড়ে দিবে না।
(ইবনে মাজাহ, কিতাবুয যুহুদ, ৬৮৪ পৃষ্ঠা, হাদীস ৪২১৫)
উদ্দেশ্য হলো, একটি কাজ, যা সম্পূর্ণরূপে জায়িয, তা করাতে কোন গুনাহ নেই কিন্তু আশংকা রয়েছে যে, যদি বান্দা এই কাজ করে তবে কোন নাজায়িয কাজে পতিত হবে, এই আশঙ্কার কারণে সেই জায়িয কাজটিও না করা, এটা তাকওয়াবানগণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক গুণ, তা ব্যতীত বান্দা মুত্তাকী হতে পারবে না।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami