Share this link via
Personality Websites!
এই আয়াত দ্বারা জানা গেলো, আল্লাহ পাকের দরবারে সম্মান ও ফযীলতের মানদন্ড বংশ নয় বরং পরহেযগারীতা, সুতরাং প্রত্যেক মুসলমানের উচিৎ, তারা যেনো বংশ নিয়ে গর্ব করা থেকে বিরত থাকে এবং তাকওয়া ও পরহেযগারীতা অবলম্বন করে যাতে আল্লাহ পাকের দরবারে তার সম্মান ও মর্যাদা নসীব হয়।
(সীরাতুল জিনান, পারা ২৬, সূরা হুজরাত, ১৩নং আয়াতের পাদটিকা, ৯/৪৪৭)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! ভাবুন তো! এটি কত উত্তম গুণাবলী * যা আল্লাহ পাক তাকওয়ার মাঝেই রেখেছেন। * তাকওয়া হলো সমস্ত কল্যাণের মূল। * পূর্ববর্তী ও পরবর্তি সকলকে তাকওয়ারই উপদেশ দেয়া হয়েছে। * তাকওয়াবানের প্রতিই প্রিয় নবী, রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم অধিক খুশি হন। * তাকওয়াই হলো সম্মানের আসল মানদন্ড। আমাদেরও উচিৎ, এমন মহান সম্পদ অর্জন করা অর্থাৎ তাকওয়া অবলম্বনের চেষ্টা করা।
আল্লাহ পাক কুরআনে করীমে ইরশাদ করেন:
وَ تَزَوَّدُوۡا فَاِنَّ خَیۡرَ الزَّادِ التَّقۡوٰی ۫
(পারা ২, সূরা বাকারা, আয়াত ১৯৭)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: আর পাথেয় সঙ্গে নাও। যেহেতু সর্বাধিক উত্তম পাথেয় হচ্ছে- খোদাভীরুতা
এই আয়াতে মুবারাকায় নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, যখনই সফরে বের হবে তখন পাথেয় সাথে নিয়ে যাও আর সর্বোত্তম পাথেয় হলো তাকওয়া। বিশেষকরে আমরা সবাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্দিষ্ট যেই সফর করবো, অর্থাৎ পরকালের সফর, এই সফরের তো মূল পাথেয় হলো তাকওয়া। ইমাম
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami