Share this link via
Personality Websites!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم উপদেশপ্রার্থী সাহাবী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে ৩টি উপদেশ দিয়েছেন, যার মধ্যে ২টি আমরা শুনার সৌভাগ্য অর্জন করেছি: (১) তাকওয়া অবলম্বন করো, কেননা তাকওয়া সকল কল্যাণের সমষ্টি। (২) আল্লাহর যিকিরকে আবশ্যক করে নাও, কেননা এটি তোমাদের জন্য নূর হবে।
এই হাদীসে পাক থেকে আল্লাহর যিকিরের ফযীলতও জানা হলো এবং পাশাপাশি এটাও জানা গেলো, তাকওয়া হলো সকল কল্যাণের সমষ্টি, যার এই দৌলত নসীব হয়ে গেলো যেনো তার সকল কল্যাণ নসীব হয়ে গেলো। হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ গাযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: হে প্রিয়! তোমার জানা উচিৎ, তাকওয়া একটি বিরল ধনভান্ডার, যদি তুমি এই ধনভান্ডার অর্জন করতে সফল হয়ে যাও তবে তুমি অনেক বড় সফলতা অর্জন করে নিবে, মনে করো যে, দুনিয়া ও আখিরাতের সকল কল্যাণ তাকওয়ার মধ্যেই সন্নিবেশিত করে দেয়া হয়েছে। (মিনহাজুল আবেদীন, ১১৫ পৃষ্ঠা)
মুত্তাকীর জন্য বিভিন্ন পুরস্কার ও সুসংবাদ
ওলামাগণ বলেন: আল্লাহ পাক কুরআনে করীমে মুত্তাকীর অনেক ফযীলত বর্ণনা করেছেন ও তাদের অনেক সুসংবাদ দিয়েছেন। যেমন; * মুত্তাকী বান্দার আল্লাহ পাকের বিশেষ সাহায্য ও সহায়তা নসীব হয়ে থাকে। * তাকওয়া সম্পন্না ব্যক্তি দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মান পায়। * তাকওয়াবানকে জ্ঞানও দেয়া হয়, প্রজ্ঞাও দেয়া হয়। * আল্লাহ পাক তাকওয়াবানগণের গুনাহ মুছে দেন। * তাদের মহান প্রতিদান দান করেন। * তাকওয়াবানগণের মাগফিরাত ও ক্ষমা করে দেয়া হয়। * আল্লাহ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami