Share this link via
Personality Websites!
তিনি তাঁর শাসনামলে অত্যাচার করেননি, মানুষের অধিকার পদদলিত করেননি বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত করেছেন, কেনো? এই কারণেই যে, হযরত ওমর বিন আব্দুল আযিয رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর অন্তরে খোদাভীতি পরিপূর্ণরূপে ছিলো।
জানা গেলো, গুনাহ থেকে বাঁচতে ও তাকওয়া অর্জনের জন্য খোদাভীতি খুবই জরুরী। আল্লাহ পাক আমাদেরকেও খোদাভীতির নেয়ামত নসীব করুন। খোদাভীতি অর্জনের জন্য * কুরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস করা, বিশেষকরে যেসব আয়াতে আল্লাহ পাকের আযাবের, জাহান্নামের, কিয়ামতের আলোচনা রয়েছে, সেসব আয়াতের অনুবাদ ও তাফসীর পাঠ করে মনে গেঁথে নিয়ে গভীর মনোযোগ সহকারে বারবার সেই আয়াতের তিলাওয়াত করতে থাকা। * হাদীস শরীফে খোদাভীতির বর্ণনা রয়েছে, এরূপ হাদীস পড়তে থাকা। * খোদাভীতি সম্বলিত কিতাব অধ্যয়ন করা। * খোদাভীতি সম্পন্ন বুযুর্গানে দ্বীনদের জীবনি পাঠ করা। * টাইম টেবিল বানিয়ে প্রতিদিন বা কমপক্ষে সপ্তাহে একবার কবরস্থানে উপস্থিত হওয়া, সেখানে ফাতিহা শরীফও পাঠ করা আর সেই সাথে এই বিষয়েও ভাবা যে, অতিশীঘ্রই আমাকেও কবরে আসতে হবে, তখন আমার অসহায়ত্বের অবস্থা কেমন হবে? অতঃপর কবরের অবস্থাদীর প্রতি চিন্তাভাবনা করা। اِنْ شَآءَ الله খোদাভীতির দৌলত নসীব হবে।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! মুসলমানদের চতুর্থ খলীফা হযরত আলীউল মুরতাদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ তাকওয়াবানগণের ৪টি গুণ বর্ণনা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami