Share this link via
Personality Websites!
ভয়ঙ্কর রোগে বা দূর্ঘটনার শিকার হয়ে যায় অথবা হঠাৎ আমাদের নিশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং আমরা মৃত্যু মুখে পতিত হয়ে যায় তবে আফসোস করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না, নিজের মন ও মস্তিষ্ক থেকে এই ধারনা বের করে দিন যে, এখনো তো আমার বয়সই বা কতো হয়েছে, সুস্থ সবল মানুষ আমি, এখনো তো দীর্ঘ জীবন পড়ে আছে, বৃদ্ধকালেই নেকী করে নিবো। মনে রাখবেন! মৃত্যু শুধুমাত্র বৃদ্ধ বা রোগের কারণেই আসে না বরং সুস্থ সবল হাস্যোজ্জল যুবকও হঠাৎ মৃত্যুর শিকার হয়ে অন্ধকার কবরে চলে যায়। এই দুনিয়ার বৈশিষ্ট একটি রাস্তার ন্যায়, যা অতিক্রম করার পরই গন্তব্যে পৌঁছা যায়, আর এই গন্তব্য জান্নাত নাকি দোযখ! সেটা নির্ভর করবে এর কর্মের উপর যে, আমরা এই সফর কিভাবে অতিক্রম করলাম! আল্লাহ পাক এবং তাঁর রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর অনুগত হয়ে নাকি অবাধ্য হয়ে? আফসোস তার জন্য, যে দুনিয়ার রঙ তামাশা দেখার পরও এর প্রতারণায় লিপ্ত থাকে এবং মৃত্যুর প্রতি একেবারেই উদাসিন হয়ে যায়। মনে রাখবেন! যে ব্যক্তি দুনিয়াবী নিয়ামতের প্রতি আসক্ত হয়, সে নিজের আখিরাতের ব্যাপারে উদাসিনতার শিকার হয়ে যায়, উদাসিনতা বান্দাকে গুনাহে ভাসিয়ে দেয়, উদাসিনতা বান্দাকে নেকী থেকে দূরে করে দেয়, উদাসিনতা আল্লাহ পাকের অসন্তুষ্টির কারণ, আল্লাহ পাক আমাদেরকে দুনিয়ায় অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন, উত্তম ব্যবসা এবং চাকরী আল্লাহ পাকের নিয়ামত, আলিশান অট্টালিকা এবং এর সুযোগ সুবিধা নিয়ামত, উন্নত বাহনও মহান নিয়ামত, পিতামাতার জন্য সন্তানও নিয়ামত, কিন্তু মনে রাখবেন! যেকোন দুনিয়াবী নিয়ামতে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি লিপ্ত হওয়া উদাসিনতা এবং ক্ষতির কারণ হতে পারে। ২৮তম পারার সূরা মুনাফিকুনের ৯ নং আয়াতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami