Share this link via
Personality Websites!
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: নিশ্চয় নামায অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।
সদরুল আফাযিল হযরত আল্লামা মাওলানা সায়্যিদ মুহাম্মদ নাঈমুদ্দীন মুরাদাবাদী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এই আয়াতে মুবারাকার তাফসীরে বলেন: যে ব্যক্তি নিয়মিত নামায আদায় করে এবং তা উত্তম রূপে আদায় করে, ফল এরূপ হয় যে, একদিন না একদিন সে এই মন্দ কাজগুলো বর্জন করে দেয়, যাতে সে লিপ্ত ছিলো।
হযরত আনাস رَضِیَ اللهُ عَنْہُ থেকে বর্ণিত যে, এক আনসারী যুবক নবী করিম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র সাথে নামায আদায় করতো এবং অনেক কবীরা গুনাহও করতো, হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হলো, ইরশাদ করলেন: তার নামায তাকে কোন না কোন দিন এই বিষয় থেকে মুক্ত করে দিবে। সুতরাং খুবই অল্প সময়ে সে তাওবা করলো এবং তার অবস্থার উন্নতি হলো। (খাযায়িনুল ইরফান)
নামাযের বরকতে চোর অলী হয়ে গেলো
আসুন! এসম্পর্কে একটি খুবই সুন্দর ঘটনা শ্রবণ করি।
বর্ণিত রয়েছে যে, এক চোর রাতে হযরত রাবেয়া বসরীয়া رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہَا ’র ঘরে ঢুকল, সে সবখানে তল্লাশী চালাল, কিন্তু কেবল একটি বদনা ছাড়া আর কিছুই পেল না। যখন সে বেরিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা করল, তখন হযরত রাবেয়া বসরীয়া رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہَا বললেন: “যদি তুমি চালাক ও চতুর চোর হও তবে কোন জিনিস নেয়া ছাড়া যাবে না।” সে বললো: “আমি তো কিছুই পেলাম না।” তিনি رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہَا বললেন: “হে অভাবী লোক! এই বদনাটি দিয়ে অযু করে ঘরে ঢুকে যাও এবং দুই রাকাত নামায পড়ে নাও, তবেই এখান থেকে কিছু না কিছু নিয়ে যেতে পারবে।” চোরটি তাঁর কথা মত অযু করল এবং নামায পড়ার জন্য দাঁড়াল, তখন হযরত
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami