Share this link via
Personality Websites!
থাকে, যদি আমরা আল্লাহ পাক ও তাঁর রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র বাণীর উপর আমল করে নামাযের নিয়মানুবর্তিতা রক্ষা করা শুরু করি তবে اِنْ شَآءَ الله রোগ বালাই থেকে মুক্তি পেতে পারি।
প্রিয় আক্বা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র মহান ইরশাদ হচ্ছে: اِنَّ فِی الصَّلٰوۃِ شِفَاءً অর্থাৎ নিশ্চয় নামাযে শিফা রয়েছে। (ইবনে মাজাহ, বাবুস সালাতিশ শিফা, ৪/৯৮, হাদীস নং-৩৪৫৮) সুতরাং আমাদের উচিৎ যে, রোগ বালাই বা সুস্থতা সর্বদা শুধু নিজে নামাযের নিয়মানুবর্তিতা রক্ষা করবো না বরং নিজের পরিবার পরিজনদেরও নামাযে অভ্যস্ত করা।
হে আশিকানে রাসুল! যে সৌভাগ্যবানরা পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে আল্লাহ পাক তাদের রোজগারে বরকত দান করেন। আজকের এই ফিতনা ফ্যাসাদের যুগে সকলেই উপার্জনের ধ্যানে মগ্ন রয়েছে, কিন্তু পুরো পুরো দিন সম্পদ উপার্জনের পরও প্রত্যেকেই এই অভিযোগ নিয়ে বসে আছে যে, এতো টাকা উপার্জন করি তবুও বরকত হয় না। মনে রাখবেন! পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় এবং এতে বিনয় ও নম্রতা আর ধারাবাহিকভাবে এর শর্তগুলো আদায়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে ওয়াজিব, সুন্নাত ও আদবসমূহ পুরোপুরি ভাবে লক্ষ্য রাখাই হচ্ছে উপার্জনে বরকত লাভের উপায়। (রাহে ইলম, ১০৫ পৃষ্ঠা)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! নামায একটি খুবই মহান ইবাদত, নামায মুমিনের জন্য জান্নাতে নিয়ে যাওয়ার মতো উত্তম আমল, বিনয় ও নম্রতার সহিত দু’রাকাত নামায আদায়কারীর জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়, দু’রাকাত নামায দুনিয়া ও এর মধ্যে যা কিছু রয়েছে সব কিছুর চেয়ে উত্তম, নামায আল্লাহ পাকের নিকট পছন্দনীয় আমল, নামাযে প্রতিটি সিজদার বদলে একটি নেকী লিখা হয়, একটি গুনাহ মিটিয়ে দেয়া হয় এবং একটি
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami