Share this link via
Personality Websites!
(৩) ইরশাদ হচ্ছে: যে নামায ছেড়ে দিলো তবে সে তার পরিবার পরিজন এবং সম্পদে কমতি করলো। (কানযুল উম্মাল, কিতাবুস সালাত, হাদীস নং-১৯০৮৫, ৭/১৩২)
(৪) ইরশাদ হচ্ছে: যে জেনে শুনে নামায ত্যাগ করলো তবে নিঃসন্দেহে আল্লাহ পাকের দায়িত্ব তার থেকে দূরে সরে গেলো।
(মুজামুল কবীর, ১২/১৯৫, হাদীস নং-১৩০২৩)
হাকীমুল উম্মত মুফতী আহমদ ইয়ার খান رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: বেনামাযী আল্লাহ পাকের নিরাপত্তায় থাকে না। নামাযের বরকতে মানুষ দুনিয়ায় বিপদাপদ থেকে, মৃত্যুর সময় মন্দ মৃত্যু থেকে, কবরের (পরীক্ষায়) ফেল হওয়া থেকে, হাশরে বিপদ থেকে আল্লাহ পাকের অনুগ্রহে নিরাপদ থাকে। (মিরাতুল মানাজিহ, ১/৭৯)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! নামাযের বিষয়ে অলসতা প্রদর্শন করা আল্লাহ পাকের অসন্তুষ্টি, জাহান্নামের অধিকারী এবং পরিবার ও সম্পদে বরকত শূণ্যতার কারণ। আল্লাহ পাক আমাদেরকে নিয়মিত নামায আদায় করার আদেশ দিয়ে ২য় পারায় সূরা বাকারার ২৩৮নং আয়াতে ইরশাদ করেন:
حٰفِظُوۡا عَلَی الصَّلَوٰتِ وَالصَّلٰوۃِ الۡوُسۡطٰی وَقُوۡمُوۡا لِلّٰہِ قٰنِتِیۡنَ (۲۳۸)
(পারা ২, সূরা বাকারা, আয়াত ২৩৮)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: সজাগ দৃষ্টি রেখো সমস্ত নামাযের প্রতি এবং মধ্যবর্তী নামাযের প্রতি। আর দন্ডায়মান হও আল্লাহর সম্মূখে আদব সহকারে।
নামাযের গুরুত্বের অনুমান এই বিষয় থেকেও হয় যে, আল্লাহ পাকের প্রিয় নবী হযরত সায়্যিদুনা ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ عَلَیْہِ السَّلَام নিজের এবং নিজের সন্তানদের জন্য নামায প্রতিষ্ঠিত রাখার
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami