Share this link via
Personality Websites!
নিয়েছে। প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করলেন: হে আবু বকর! বিষয় এরকমই, যে অধিক পরিমাণে আল্লাহ পাকের যিকির করে, সে সকল কল্যাণ অর্জন করে নেয়।
(মু’জামুল কবীর, ৮/ ৪৮১, হাদীস: ১৬৮১২)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! চিন্তা করুন নেকী সম্পাদনকারী লোক নিশ্চয় মর্যাদাবান তবে তাদের মধ্যেও উত্তম লোক ও অধিক মর্যাদাবান ব্যক্তি যারা নেকীর পাশাপাশি আল্লাহ পাকের যিকিরও করে থাকে, গভীর চিন্তা করুন! যদি আমরা নেকীর পাশাপাশি বেশি পরিমাণে আল্লাহ পাকের যিকির করতে থাকি তাহলে অফুরন্ত নেকী অর্জনে সফল হয়ে যাবো।
অধিকহারে যিকির না করার কিছু কারণ
কিন্তু আফসোস! উদাসিনতা! অন্তরে (নেকীর) কোন আগ্রহও নেই, * নেকীর আগ্রহ (অন্তরে) না থাকার নামান্তর, * পরকালীন চিন্তাভাবনার কমতি, * অহেতুক কাজে লিপ্ত থাকার অভ্যস্ত, * দুনিয়ার ভালোবাসা মূলত অন্তরে বাসা বেঁধে নিয়েছে, * সব সময় ব্যস দুনিয়ার চিন্তায় বিভোর থাকি, * অহেতুক কথাবার্তা শুনা ও বলার তো এমন অভ্যাস যে, ব্যস! আল্লাহ পাকের পানাহ! * গীবত, * চোগলী, * মিথ্যা না জানি কতো কতো গুনাহ এই মুখ আমাদের দিয়ে করাতে থাকে, এরপর রইল চলমান স্যোশাল মিডিয়ার কথা, কখনো একাকী বসার সুযোগ হয়ে যায় তবে দ্রুত মোবাইল হাতে নিই আর ফেইসবুক, ইউটিউব ইত্যাদিতে ব্যস্ত হয়ে যায়।
হায় যদি! আমরা নেকীর আগ্রহী হয়ে যেতাম। খুব বেশি বেশি নেক আমল ও মর্যাদাবান হওয়ার জন্য অধিকহারে আল্লাহ পাকের যিকিরও করতাম।
অধিকহারে যিকির করার কুরআনী নির্দেশ
আল্লাহ পাক কুরআনে করিমে ইরশাদ করেন:
یٰۤاَیُّہَاالَّذِیۡنَ اٰمَنُوا اذۡکُرُوا اللّٰہَ ذِکۡرًا کَثِیۡرًا
(পারা: ২২, সূরা আহযাব, আয়াত: ৪১)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে স্মরণ করো এবং সকাল-সন্ধা তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করো।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami