Share this link via
Personality Websites!
এরদ্বারা আমাদের ২ থেকে দেড় ঘন্টা আল্লাহ পাকের যিকিরের মধ্যে অতিবাহিত হবে * এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের মধ্যে ৩টি হলো: যেগুলোর মধ্যকার দূরত্ব অনেক বেশি, এশা থেকে ফজরের মধ্যবর্তী সময়, এইভাবে ফজর থেকে যোহর পর্যন্ত যথেষ্ট সময় থাকে, সুতরাং এশা ও ফজরের মধ্যবর্তী সময়ে কিছু নফল ইবাদতের অভ্যাস করুন, যদি নসীব হয়! রাতে ঘুমানোর পূর্বেও কিছু না কিছু নফল আদায় করতাম এবং হায়! যদি তাহাজ্জুদের অভ্যাস হয়েযেতো, এইভাবে ফজর ও যোহরের মধ্যবর্তী সময়ে ইশরাক ও চাশতের নফল রয়েছে, এই নফল নামাযও যদি নিয়মিত আদায় করা হতো। এটার পাশাপাশি আরও একটি কাজ করতাম, তা হলো প্রতিটি নামাযের পর কিছু না কিছু আল্লাহ পাকের যিকির করার অভ্যাস করে নিতাম, যেমন প্রত্যেক নামাযের পর তাসবীহে ফাতেমা (অর্থাৎ ৩৩ বার سُبْحٰنَ الله, ৩৩ বার اَلْحَمْدُ لِلّٰه, এবং ৩৪ বার اَللهُ اَكْبَرُ) পাঠ করে নিতাম, সূরা ইখলাস পাঠ করতাম, আয়াতুল কুরসি পড়ে নিতাম, যদি নসীব হয়! প্রত্যেক নামাযের পর কমপক্ষে একশতবার দরূদে পাক পাঠ করার অভ্যাস করে নিতাম। এইভাবে দিনের কমপক্ষে এক চতুর্থাংশ আল্লাহ পাকের যিকিরের মধ্যে অতিবাহিত করতাম * দিন ও রাতে ২টি সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, একটি হলো ফজরের পর সময়টা, দ্বিতীয়টি হলো আসরের পরের সময়টা, আল্লাহ পাক এই সময়ে যিকির করার বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন, যেমন ইরশাদ হচ্ছে:
وَ سَبِّحۡ بِحَمۡدِ رَبِّکَ قَبۡلَ طُلُوۡعِ الشَّمۡسِ وَ قَبۡلَ غُرُوۡبِہَا
(পারা ১৬, সূরা ত্বহা, আয়াত: ১৩০)
কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: আর আপন প্রতিপালকের প্রশংসা সহকারে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করুন সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং তা অস্তমিত হবার পূর্বে।
সুতরাং এই ২ সময়ে বিশেষভাবে কিছু যিকির ও আযকার নির্ধারণ করুন, যেমন তিলাওয়াতে কুরআনের অভ্যাস বানিয়ে নিন, হোক নিজের পীর সাহেবের দেয়া শাজারা শরীফ থেকে অথবা অন্য কোন দোয়া ও ওযীফা পাঠ করে নিন * একইভাবে মাগরিব ও এশার মধ্যবর্তী সময়ও অনেক মূল্যবান, ঐসময় যিকির করা, নামায পড়া মুস্তাহাব, সুতরাং মাগরিবের পর আওয়াবিনের নফল আদায় করুন * একইভাবে রাতে অযু করে ঘুমান,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami