Share this link via
Personality Websites!
দুনিয়াবী কাজে যেই স্বাদ মিলে, ইবাদতের মধ্যে সেই স্বাদ পাওয়া যায় না। যদি আমরা ইবাদতকারী হয়ে যায় তবে اِنْ شَآءَالله ইবাদতের এমন স্বাদ নসীব হবে, ইবাদত ব্যতীত জীবিত থাকাটা কঠিন মনে হবে। আল্লাহ পাকের একজন নেককার বান্দা যিনি অধিকহারে ইবাদত করতেন, তিনি বলেন: যে স্বাদ ও নেয়ামত আমাদের অর্জিত হয়েছে, যদি দুনিয়াবী বাদশাহ সেটা জেনে নিতো তাহলে সে তরবারী দিয়ে আমাদের সাথে যুদ্ধ করতো। (সিফাতুল সফওয়া, অংশ: ৪/ ২, পৃষ্ঠা: ১৩৫)
অর্থাৎ দুনিয়াবী বাদশাহ যেমনিভাবে মুকুট ও সিংহাসনের জন্য পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধ করে, যদি তাদের বুঝা আসতো যে, ইবাদতের মধ্যে কেমন স্বাদ তাহলে তারা তাজ ও সিংহাসন নয় বরং ইবাদতের স্বাদের জন্য পাগল হয়ে যেতো।
বর্ণিত আছে: সাহাবীয়ে রাসূল, হযরত মুয়ায বিন জাবাল رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ’র শেষ সময় ঘনিয়ে এসেছে তখন তিনি কান্না করতে লাগলেন, আরয করা হলো: হুযুর! আপনি কেন কান্না করছেন? বললেন: এজন্য কান্না করছি, মৃত্যুর পর আমি গরমের দিনের রোযার পিপাসা ও শীতের রাতে নামায পড়া থেকে বঞ্চিত হয়ে যাবো আর ওলামায়ে কেরামগণের যিকিরের মাহফিলে উপস্থিত হতে পারবো না। (লাতায়িফুল মাআরিফ, ৪০২ পৃষ্ঠা)
سُبْحٰنَ الله! হে আশিকানে রাসূল! দেখুন! যার ইবাদতের স্বাদ নসীব হয়েছে, সে দুনিয়ার প্রতিটি জিনিসের উপর ইবাদতকেই প্রাধান্য দেয়। হায়! আমাদেরও যদি ইবাদতের এ রকম স্বাদ নসীব হয়ে যেতো, হায়! আমরা প্রতিটি জিনিসের উপর ইবাদতকে গুরুত্ব প্রদানকারী হয়ে যেতাম।
ইবাদতের স্বাদ সম্পর্কিত ৫টি ঘটনা
(১) আনসারী সাহাবী ও ইবাদতের স্বাদ
হযরত জাবের رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: একবার আমরা আল্লাহ পাকের প্রিয় হাবীব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র সাথে কোন এক যুদ্ধে গেলাম, ফিরে আসার সময় আমরা পাহাড়ী এলাকায় গিয়ে পৌঁছলাম, রাসূলে আকরাম, নূরে মুসাসাম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ঐখানেই অবস্থান করার নির্দেশ দিলেন। সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ আরাম করার জন্য ঐখানে থামলেন। আল্লাহ পাকের প্রিয় হাবীব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করলেন: আজ রাত কে পাহারা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami