Share this link via
Personality Websites!
শুনবো * আদব সহকারে বসবো * বয়ান চলাকালিন উদাসীনতা থেকে বেঁচে থাকবো
* নিজের সংশোধনের জন্য বয়ান শুনবো * যা শুনবো অপরের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করবো।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
আল্লাহ পাকের প্রিয় হাবীব صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র ইবাদত
সাহাবীয়ে রাসূল হযরত আবু হুরাইরা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ হতে বর্ণিত, আল্লাহ পাকের আখেরী নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم রোযা রাখতেন আর এতো বেশি নামায আদায় করতেন যে, তাঁর পা মোবারকে ফোলা এসে যেতো। (তারিখে দামেষ্ক, ৪/১৪১) উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا বলেন: নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কিয়ামুল লাইল (অর্থাৎ রাতের নফল নামায) কখনো ছাড়তেন না, যদি কখনো শরীরে অসুস্থতা অনুভব করতেন তখন বসে বসে আদায় করতেন। (আবু দাউদ, ২১৪ পৃষ্ঠা, হাদীস: ১৩০৭) উম্মুল মু’মিনীন হযরত উম্মে সালমা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا’র বর্ণনা মোতাবেক প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর পবিত্র স্বভাব এটা ছিলো; রাতে নামায আদায় করতেন এরপর যতোক্ষণ সময় নামায আদায় করতেন, ততোক্ষণ সময় আরাম করতেন, এরপর উঠতেন অতঃপর যতোক্ষণ সময় আরাম করেছেন, ততোক্ষণ সময় নামায আদায় করতেন, এরপর নামায পড়ার সমপরিমাণ সময় আরাম করতেন, এইভাবে করতে থাকতেন এমনকি ফজর হয়ে যেতো। (তিরমিযী, ৬৭৯ পৃষ্ঠা, হাদীস: ২৯২৩) হযরত জাবের رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: প্রিয় নবী, হুযুর পূরনূর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আরাম করার পর যখনই জাগ্রত হতেন তখন মিসওয়াক করতেন আর নতুনভাবে অযু করে নামায আদায় করতেন।
(মাজমাউয যাওয়ায়িদ, ২/ ৪৬২, হাদীস: ৩৬৫১)
সাহাবীয়ে রাসূল হযরত হুযাইফা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বলেন: একরাতে আল্লাহ পাকের সর্বশেষ নবী, রাসূলে আরবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم মসজিদে নামায আদায় করছিলেন, আমি সময়টি গণিমত মনে করলাম আর নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র পিছনে দাঁড়িয়ে ইকতিদা করে নামায শুরু করে দিলাম। আল্লাহ পাকের প্রিয় রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم নামাযের মধ্যে সূরা বাকারা তিলাওয়াত শুরু করলেন, আমি মনে মনে ভেবেছিলাম নবী করীম, রউফুর রহীম
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami