Share this link via
Personality Websites!
একবার হযরত ঈসা عَلَیْہِ السَّلَام তাঁর সঙ্গীদের বললেন: মৃতদের কাছে বসিও না, নতুবা তোমাদের অন্তরও মরে যাবে। সাথীরা আরজ করল: মৃত কারা? বললেন: اَلرَّاغِبُوْنَ فِی الدُّنْیَا اَلْمُحِبُّوْنَ لَہَا দুনিয়ার প্রতি আসক্ত ও ভালোবাসা পোষণকারী।
(তাফসীরে রুহুল বয়ান, পারা: ৪, সূরা আলে ইমরান, ১৮৯ নং আয়াতের পাদটীকা ২/১৪৯)
মজাদার জিনিস খেতে থাকা অন্তরের কঠোরতার কারণ
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! বেশি খাওয়াও অন্তরকে পাষাণ করে দেয়, এজন্য যে (ব্যক্তি) ইবাদতের স্বাদের সন্ধানকারী, তার উচিত ক্ষুধা থেকে কম খাওয়ার অভ্যাস করা। হযরত ইব্রাহিম বিন আদহাম رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আমি লেবাননের পর্বতে অনেক আউলিয়ায়ে কেরামের সংস্পর্শে ছিলাম, তাঁদের মধ্য হতে প্রত্যেকজন আমাকে এটা বলেছেন: যখন লোকদের মাঝে যাবে তখন তাদের চারটি বিষয়ে উপদেশ দিবে, তার মধ্যে একটি উপদেশ ছিলো, যে অধিক আহার করবে, তার ইবাদতের স্বাদ নসীব হবে না। (মিনহাজুল আবেদীন (উর্দু অনুবাদকৃত), ২৬০ পৃষ্ঠা)
হযরত ইমাম মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ গাযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আখিরাতের রাস্তায় হাঁটা বুযুর্গানে দ্বীন رَحِمَہُمُ اللهُ السَّلَام ’র মোবারক স্বভাব ছিলো যে, তারা তরকারি সব সময় নয় বরং কখনো কখনো খেতেন এবং নফসের উচ্চ আকাঙ্ক্ষা থেকে বেঁচে থাকতেন কেননা মানুষ যদি আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী মজাদার জিনিস আহার করতে থাকে তাহলে তা দ্বারা তার নফস নষ্ট হয়ে যায় এবং অন্তরে কঠোরতা সৃষ্টি হয়।
(ইহয়াউল উলুম (উর্দু অনুবাদকৃত), ৩/ ২৮০)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
৩টি জিনিস ছেড়ে দিলেই ইবাদতের স্বাদ অর্জিত হবে
হযরত আহমদ বিন হারব رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আমি ৫০ বছর আল্লাহ পাকের ইবাদত করতে থাকি, যখন আমি ৩টি জিনিস ছেড়ে দিয়েছি তখন ইবাদতের স্বাদ অর্জিত হয়: (১) আমি মানুষের সন্তুষ্টি ছেড়ে দিয়েছি (অর্থাৎ লোকে কি বলবে এই চিন্তা ছেড়ে দিয়ে এই মানসিকতা বানিয়ে নিয়েছি যে, আমার আল্লাহ পাক কোন কাজে সন্তুষ্ট) (২) আমি ফাসিকদের (অর্থাৎ প্রকাশ্যে গুনাহকারী’র) সংস্পর্শ ছেড়ে দিয়েছি ও নেককার লোকদের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami