Share this link via
Personality Websites!
আয়াত: ৯৭, ৩/৯৭ পৃষ্ঠা) অর্থাৎ যে মুসলমান নেক আমল করে, আল্লাহ পাক তাকে ইবাদতের স্বাদ দান করেন। এক বুযুর্গ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আমি ২০ বছর পর্যন্ত পরিশ্রমের সাথে নামায আদায় করতে রইলাম, এরপর আমার ইবাদতের স্বাদ নসীব হলো।
(কুতুল কুলুব, ১/ ৯২)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! যদি আমরা ইবাদতের স্বাদ পেতে চায় তাহলে আমাদের ফরয আদায়ের পাশাপাশি অধিকহারে নফল ইবাদত করতে হবে, নফল নামায পড়ুন, নফল রোযা রাখুন, নফল দান ও সদকা করুন। এর বরকতে اِنْ شَآءَالله ইবাদতের স্বাদও নসীব হবে। হাদীসে কুদসীতে রয়েছে: আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন: বান্দা নফলের মাধ্যমে আমার নৈকট্য অর্জন করতে থাকে, এই পর্যন্ত যে, আমি তাকে আমার মাহবুব (অর্থাৎ প্রিয়ভাজন) বানিয়ে নিই। (বুখারী, ১৫৯৭ পৃষ্ঠা, হাদীস: ৬৫০২)
سُبْحٰنَ الله! অধিকহারে নফল আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহ পাকের ভালোবাসা নসীব হয়ে থাকে, স্পষ্ট যে, আল্লাহ পাকের ভালোবাসা মিলে যায় তখন মন আল্লাহ পাকের দিকেই ধাবিত থাকবে, আল্লাহ পাকের দিকে মন ধাবিত থাকলে তবে اِنْ شَآءَالله আল্লাহ পাকের ইবাদতের স্বাদও নসীব হয়ে যাবে।
ইবাদতের স্বাদ পাওয়ার একটি উপায়
ফকিহ আবু লাইছ সমরকন্দী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ লিখেন:
বান্দা ততোক্ষণ পর্যন্ত ইবাদতের স্বাদ অর্জন করতে পারবে না,
যতোক্ষণ পর্যন্ত সে এই চারটি কাজ করে না নেয়: (১) ইবাদত ভালো নিয়্যতে
শুরু করা (২) ইবাদতের সামর্থ্য লাভ, তবে এটা আল্লাহ পাকের নেয়ামত,
এই দিকে দৃষ্টি রাখা (৩) خَشِیَّت (অর্থাৎ অন্তরে খোদাভীতি) রেখে ইবাদত করা
(৪) শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একনিষ্টতা অব্যাহত রাখা (লৌকিকতা না করা)। কেননা যে বান্দা
ভালো নিয়্যতে ইবাদত শুরু করে, সে জেনে নেয় যে,
আমার এই নেকীর সামর্থ্য আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকেই দেয়া হয়েছে এবং যখন
বান্দা আল্লাহ পাকের নেয়ামতের উপর দৃষ্টি রাখে তখন সে কৃতজ্ঞ থাকে, ব্যস কৃতজ্ঞতার বরকতে নেয়ামত আরো বৃদ্ধি করে দেয়া হয়, যখন বান্দা একনিষ্টতার সাথে ইবাদত করে তখন তার জন্য সাওয়াব
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami